• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • ১৯৭১ (উপন্যাস)
১৯৭১ (উপন্যাস)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাংলাদেশের উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ভেঙে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশের জন্ম হয়। পূর্ব বাংলায় সূচনা ঘটে নতুন এক সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থার। এই সময়েই যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের উপন্যাসের। শ্রেণিকরণ করলে বাংলাদেশের উপন্যাসকে এভাবে বিন্যস্ত করা যেতে পারে:

(১) গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত উপন্যাস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো, চাঁদের অমাবস্যা, আবু ইসহাকের সূর্য-দীঘল বাড়ি, জহির রায়হানের হাজার বছর ধরে, আবদুল গাফফার চৌধুরীর চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান, শওকত ওসমানের জননী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা, হাসান আজিজুল হকের আগুনপাখি, সৈয়দ শামসুল হকের মহাশূন্যে পরান মাস্টার, সেলিনা হোসেনের দীপান্বিতা ইত্যাদি।

(২) নগর জীবনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস: আবুল ফজলের জীবন পথের যাত্রী, রশীদ করীমের উত্তম পুরুষ ও প্রেম একটি লাল গোলাপ, আবু রুশদের সামনে নতুন দিন, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিলেকোঠার সেপাই, শওকত আলীর দক্ষিণায়নের দিন ইত্যাদি।

(৩) গ্রাম ও নগর কেন্দ্রিক জীবনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস: আলাউদ্দিন আল আজাদের ক্ষুধা ও আশা, শহীদুল্লাহ্ কায়সারের সংশপ্তক, সরদার জয়েন উদ্দিনের অনেক সূর্যের আশা, আবুল ফজলের রাঙাপ্রভাত, আনোযাব পাশাব নীড় সন্ধানী ইত্যাদি।

(৪) আঞ্চলিক ও বিশেষ জীবনধারার উপন্যাস: আলাউদ্দিন আল আজাদের কর্ণফুলি, শহীদুল্লাহ্ কায়সারের সারেং বউ, শামসুদ্দীন আবুল কালামের কাশবনের কন্যা, আবু ইসহাকের পদ্মার পলিদ্বীপ, সরদার জয়েনউদ্দিনের পান্নামতি, শওকত আলীর প্রদোষে প্রাকৃতজন, সেলিনা হোসেনের পোকামাকড়ের ঘরবসতি ইত্যাদি।

(৫) মনস্তাত্ত্বিক ও দার্শনিক উপন্যাস: আলাউদ্দিন আল আজাদের তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, সৈয়দ শামসুল হকের দেয়ালের দেশ ও এক মহিলার ছবি, শওকত আলীর পিঙ্গল আকাশ, মাহমুদুল হকের খেলাঘর ইত্যাদি।

(৬) ঐতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: আবু জাফর শামসুদ্দিনের ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান ও পদ্মা মেঘনা যমুনা, শামসুদ্দীন আবুল কালামের আলম গড়ের উপকথা, সত্যেন সেনের অভিশপ্ত নগরী, আনোয়ার পাশার রাইফেল রোটি আওরাত, শওকত ওসমানের জলাঙ্গী, রিজিয়া রহমানের বং থেকে বাংলা, মাহমুদুল হকের জীবন আমার বোন, হাসান আজিজুল হকের বিধবাদের কথা, সেলিনা হোসেনের হাঙর নদী গ্রেনেড ও গায়ত্রী সন্ধ্যা, হুমায়ূন আহমেদের আগুনের পরশমনি, জ্যোৎস্না ও জননীর গল্প, ১৯৭১ ইত্যাদি।

এই বিভাজন ছাড়াও বয়সভেদে নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে উপন্যাস রচনা করেছেন বাংলাদেশের ঔপন্যাসিকেরা। ফলে তাঁরা যেমন বড়দের জন্য উপন্যাস লিখেছেন, তেমনি লিখেছেন ছোটদের জন্যও।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বিচিত্র ধারায় বাংলাদেশের উপন্যাস বিকশিত হয়েছে। গ্রামীণ মানুষের জীবন ও শহুরে জীবন, ব্যক্তিক সংগ্রাম ও জাতিগত সংগ্রাম, ইতিহাস ও রাজনীতি- সবকিছুই বাংলাদেশের উপন্যাসে স্থান পেয়েছে। চরিত্রচিত্রণ, ভাষা, আখ্যানশৈলী ইত্যাদি নানা দিক থেকে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশের ঔপন্যাসিকেরা।

১৯৭১ (উপন্যাস) - অন্যান্য প্রশ্ন

উপন্যাস কী?বাংলা উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিবাংলাদেশের উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিহুমায়ূন আহমেদ (ঔপন্যাসিক পরিচিতি) উপন্যাসের আলোচনা: ১৯৭১১৯৭১ (হুমায়ূন আহমেদ)শব্দার্থ ও টীকা (১৯৭১)সৃজনশীল প্রশ্ন (১৯৭১)বর্ণনামূলক প্রশ্ন (১৯৭১)সফদরউল্লাহর মানসিক পরিবর্তনের প্রধান কারণ ব্যাখ্যা কর।'১৯৭১' উপন্যাসে প্রতিফলিত নীলগঞ্জের জনজীবনের পরিচয় দাও।"মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ালে অনেকেই এরকম করবে।"- এ উক্তিটি কার? উক্তিটি করার কারণ কী ছিল? বুঝিয়ে লেখ।রফিক ও মেজরের সম্পর্কের টানাপড়েন কীভাবে কাহিনির গতিপথকে প্রভাবিত করেছে? তাদের মধ্যকার সংঘাতের কারণ ব্যাখ্যা কর।আজিজ মাস্টারের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।রফিক চরিত্রটি তোমার কাছে কি দ্বিমুখী চরিত্র মনে হয়? তোমার উত্তরের পক্ষে কারণ দেখাও। মীর আলিকে মেজর এজাজ কেন সালাম দিলেন? ব্যাখ্যা কর।নিস্তরঙ্গ গ্রামীণ জীবনে যুদ্ধের বর্বরতা '১৯৭১' উপন্যাসে কীভাবে রূপায়িত হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর। খুনের বিচার করতে মেজর এজাজ এতটা আগ্রহী হয়েছিল কেন?"নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।"-ব্যাখ্যা কর।বদিউজ্জামান কাদের ভয়ে এবং কোথায় লুকিয়েছিল? তার অবস্থা সংক্ষেপে বর্ণনা কর।"অপমানের চেয়ে মানুষ মৃত্যুকেই শ্রেয় মনে করে।"-আজিজ মাস্টারের উদাহরণ ব্যবহার করে বাক্যটির সত্যতা যাচাই কর।অনুফা কে? সে কেন মীর আলির উপর বিরক্ত হয়?"অকারণ নিপীড়নই একটি যুদ্ধকে জনগণের মুক্তিযুদ্ধে উপনীত করেছিল।"- '১৯৭১' উপন্যাস থেকে অন্তত তিনটি চরিত্রের উদাহরণ দিয়ে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ