• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অর্থনীতি পরিচয়
অর্থনীতি পরিচয়

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (Different Types of Economic Systems)

আমাদের সম্পদ সসীম কিন্তু অভাব অসীম। সম্পদের সীমাবদ্ধতা বা দ্রম্প্রাপ্যতা (Scarcity) মানবজীবনের অর্থনৈতিক বাস্তবতা। সীমিত সম্পদের মাধ্যমে আমরা সব অভাব পূরণ করতে পারি না। এ কারণে আমাদেরকে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। ব্যাপকার্থে এ সমস্যাগুলোকে মৌলিক অর্থনৈতিক সমস্যা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সমস্যাগুলো নিম্নরূপ:

ক) আমরা কী উৎপাদন করব এবং কী উৎপাদন করব না? যেমন: আমরা কি ধান উৎপাদন করব, না কি কাপড় উৎপাদন করব?

খ) আমরা যা উৎপাদন করতে চাই, তা উৎপাদন করার জন্য কী ধরনের প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করব? কাপড় কি আমরা শ্রম নিবিড় প্রযুক্তি তাঁত দিয়ে তৈরি করব, নাকি পুঁজি নিবিড় প্রযুক্তি মেশিনে তৈরি করব?

গ) আমরা যা উৎপাদন করব তা আমরা কাদের জন্য করব? কারা এটা ভোগ করবেন?

অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীতে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

এগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে:

১. ধনতান্ত্রিক বা বাজার অর্থব্যবস্থা
২. সমাজতান্ত্রিক বা নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা
৩. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
৪. ইসলামি অর্থব্যবস্থা

১. ধনতান্ত্রিক বা বাজার অর্থব্যবস্থা (Capitalistic or Market Economic System)

এই অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং প্রধানত বেসরকারি উদ্যোগে, সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থার মাধ্যমে যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ ধরনের অর্থব্যবস্থাকে ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা বলে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ফরাসি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সমগ্র ইউরোপে ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির সূত্রপাত ঘটে। ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ ও তাঁর অনুসারীগণ এ ব্যবস্থা সমর্থন করেন।

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Capitalistic Economy)

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো:

১। সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ বা উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে। ব্যক্তি এগুলো হস্তান্তর ও ভোগ করে থাকে।

২। ব্যক্তিগত উদ্যোগ ধনতন্ত্রে অধিকাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন: উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন, ভোগ প্রভৃতি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়। এসব উদ্যোগে সরকারের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়।

৩। অবাধ প্রতিযোগিতা এ ব্যবস্থায় দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনে প্রথমে অনেক ফার্ম অবাধে প্রতিযোগিতা করে। ফলে তখন দ্রব্যের দাম কম থাকে এবং নতুন নতুন আবিষ্কার সম্ভব হয়।

৪। স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থা: বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতার দরকষাকষির মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।

৫। মুনাফা অর্জন: ধনতন্ত্রে উৎপাদক সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনের জন্য উৎপাদন করে।

৬। ভোক্তার স্বাধীনতা: প্রত্যেক ভোক্তা তার নিজস্ব পছন্দ, ইচ্ছা ও রুচি অনুযায়ী অবাধে দ্রব্য ক্রয় ও ভোগ করতে পারে। ভোক্তার চাহিদা ও মুনাফার সুযোগ অনুযায়ী উৎপাদনকারী দ্রব্য সরবরাহ করে।

৭। আয় বৈষম্য ধনতান্ত্রিক সমাজে বিত্তবান ও সাধারণ জনগণের আয়ের মধ্যে বৈষম্য বেশি থাকে। ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে কিছুটা বেকারত্ব অনিবার্য।

৮। সরকারের ভূমিকা: এ ব্যবস্থায় সরকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা, সম্পত্তির অধিকার রক্ষায় নিয়োজিত থাকে।

অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মধ্য দিয়ে ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কেউ নিঃস্বার্থভাবে নয়, বরং প্রত্যেকে নিজ নিজ স্বার্থে অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন করে।

সমাধান

ক) এই অর্থব্যবস্থায় সমস্ত সিদ্ধান্তই বাজারের যুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। যেমন- যে পণ্যের চাহিদা বাজারে বেশি হবে এবং যার দাম বেশি হবে, সেটাই বেশি বেশি করে উৎপাদিত হবে। বাজারের আপেক্ষিক চাহিদাই নির্ধারণ করে দেবে উৎপাদনের বিন্যাস।

খ) যে প্রযুক্তিতে একটি পণ্য উৎপাদন করার বাজার নির্ধারিত খরচ সর্বনিম্ন, সে প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ঐ পণ্য উৎপাদন হবে।

গ) বাজারে যে উৎপাদন উপকরণের দাম যে রকম নির্ধারিত হবে, তার মালিকরা ঠিক সে রকম আয় ও ভোগ করবেন।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, এ ব্যবস্থায় বাজার দ্বারাই উপকরণের মালিকদের এবং ক্রেতা-বিক্রেতার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্ধারিত হচ্ছে কী উৎপাদিত হবে, কীভাবে উৎপাদিত হবে এবং উৎপাদনের বণ্টন কী রকম হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা হচ্ছেন ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত সম্পদের তথা উৎপাদন উপকরণের ব্যক্তি মালিক এবং বাজারে তাদের আন্তঃক্রিয়া মাধ্যমেই এসবের দাম ও অন্য সবকিছু নির্ধারিত হয়।

২. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি বা নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা (Socialist or Command Economic System)

সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ ও উৎপাদনের উপাদানের উপর রাষ্ট্রের বা সমাজের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত থাকে। অধিকাংশ শিল্প-কারখানা ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের মালিক সরকার বা সমাজ এবং সেগুলো সরকারি বা সামাজিক নির্দেশে পরিচালিত হয়ে থাকে। কোন কোন দ্রব্য, কী পরিমাণে, কীভাবে এবং কার জন্য উৎপাদিত হবে তা সরকার বা রাষ্ট্র নির্ধারণ করে।

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Socialist Economy)

১। সম্পদের রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক মালিকানা: সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে অধিকাংশ সম্পদ (জমি, কলকারখানা, খনি ইত্যাদি) ও উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিক হলো সরকার, সমবায় প্রতিষ্ঠান, যৌথ সামাজিক দল ইত্যাদি রাষ্ট্রের অধীনে কাজ করে থাকে।

২। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা: রাষ্ট্র বা সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে সকল পরিকল্পনা করে থাকে। ঐ পরিকল্পনা অনুসারে দেশের উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়।

৩। ভোক্তার স্বাধীনতার অভাব সমাজতন্ত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোক্তারা সরকার ও কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা
নির্ধারিত উৎপাদিত দ্রব্যাদি ভোগ করে থাকে। কোনো ভোক্তা ইচ্ছাকৃত অর্থ ব্যয় করে বাজারকে প্রভাবিত করে কোনো কিছু উৎপাদন ও ভোগ করতে পারে না।

৪। অবাধ প্রতিযোগিতার অভাব অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগে উৎপাদন পরিচালিত হওয়ায় সেখানে বহুসংখ্যক বেসরকারি উদ্যোক্তার অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে না।

৫। ব্যক্তিগত মুনাফার অনুপস্থিতি সমাজতন্ত্রে ব্যক্তিগত মুনাফার পরিবর্তে জাতীয় চাহিদা ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য উৎপাদন পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে এখানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে না। কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য সবই সরকারের এবং সামাজিক মালিকানার অধীনে থাকে বলে ব্যক্তিগত মুনাফা থাকে না।

সমাধান

এই অর্থব্যবস্থায় কি উৎপাদন হবে, তা নির্ধারণ করে দেয় কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। এখানে সমস্ত সম্পদ ও উৎপাদন উপকরণের মালিক হচ্ছে রাষ্ট্র বা সমাজ। তাদের প্রতিনিধি হিসাবে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ই চূড়ান্ত বিচারে কী উৎপাদিত হবে, তার জন্য কী প্রযুক্তি বাছাই হবে, কার কী দাম হবে, কার কী আয় ও ভোগ হবে ইত্যাদি সব নির্ধারণ করে দেন। তাদের এই আদেশ অনেকটা আইনের মতো সকল অর্থনৈতিক খেলোয়াড়কে মেনে চলতে হয়। তাই এই ব্যবস্থাকে নির্দেশমূলক ব্যবস্থা (Command System) হিসেবেও অভিহিত করা হয়। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বার্থ বা মুনাফার চেয়ে সামাজিক স্বার্থ বা সামাজিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

দলগত কাজ: ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার তুলনা করে উপস্থাপন করো।

৩. মিশ্র অর্থব্যবস্থা (Mixed Economic System)

যে অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিমালিকানা ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগ ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণ বিরাজ করে তাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে। অর্থাৎ এ অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিগত ও সরকারি উদ্যোগ সম্মিলিত ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। যথা: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, বাংলাদেশ ও জাপান ইত্যাদি।

মিশ্র অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Mixed Economy)

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য আলাদা হয়ে থাকে। সাধারণত মিশ্র অর্থব্যবস্থার নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ করা যায়:

১। সম্পদের ব্যক্তিগত, সমবায় ও সরকারি মালিকানা: মিশ্র অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবাধে ভোগ করতে পারে ও ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে। পাশাপাশি গণদ্রব্য (মহাসড়ক) ও সেবা (স্বাস্থ্যসেবা) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রধানত সরকার পরিচালনা করে।

২। ব্যক্তিগত উদ্যোগ: মিশ্র অর্থনীতিতে উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য, বণ্টন ও ভোগসহ অধিকাংশ অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগঠিত ও পরিচালিত হয়।

৩। সরকারি উদ্যোগ: মিশ্র অর্থনীতিতে ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দেশের মৌলিক ও ভারী শিল্প, জাতীয় নিরাপত্তা ও জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকার পরিচালনা করে থাকে।

৪। মুনাফা অর্জন: মিশ্র অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়। তবে তা অতিরিক্ত একচেটিয়া মুনাফা নয়।

৫। ভোক্তার স্বাধীনতা এ ব্যবস্থায় ভোক্তা সাধারণ দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও ভোগের ক্ষেত্রে অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করে। তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে দ্রব্যের দামের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুসারে কোনো দ্রব্যের উৎপাদন কিংবা ভোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যেমন- ধূমপান, মাদকদ্রব্য উৎপাদন ও ভোগ ইত্যাদি।

বিশ্বে কোথাও বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা না থাকায় অনেকে মিশ্র অর্থব্যবস্থাকে একটি উন্নত অর্থব্যবস্থা বলে মনে করেন। এ অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তিগত ও সরকারি খাত পাশাপাশি অবস্থান করে। এ কারণে উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পাশাপাশি সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

৪. ইসলামি অর্থব্যবস্থা (Islamic Economic System)

ইসলামের মৌলিক নিয়ম-কানুনের উপর বিশ্বাসকে ভিত্তি করে গড়ে ওঠা অর্থব্যবস্থাকে ইসলামি অর্থব্যবস্থা বলা হয়।

ইসলামি অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Islamic Economy)

ইসলামি অর্থব্যবস্থায় পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ মানবজাতির কল্যাণে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য প্রচলিত বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

১। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস: ইসলামি অর্থনীতির মূলনীতিমালা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের ধর্মীয় দর্শন, ধর্মগ্রন্থের বিধান ও ধর্মীয় প্রচলিত প্রথা ও বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রণীত ও পরিচালিত হয়।

২। সুদমুক্ত আমানত: ইসলামি অর্থনীতিতে সুদ গ্রহণের স্বীকৃতি নেই। এখানে ব্যাংক-ব্যবস্থায় সুদমুক্ত আমানতের ব্যবস্থা করা হয়।

৩। জাকাত ও ফিতরা এ ব্যবস্থায় জাকাতভিত্তিক বণ্টন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে ধনীদের নিকট থেকে অর্থ গ্রহণ করে তা দরিদ্রদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।

এ অর্থব্যবস্থায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ইসলামের বিধি-বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহ নির্দেশিত বিধান অনুসরণ করে চলতে হয়।

কাজ: বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার সাথে কোন অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে? মতামত দাও।

পরবর্তী

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ