• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • জীবনের জন্য পানি
জীবনের জন্য পানি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাংলাদেশের পানির উৎস দূষণের কারণ

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সব দেশেই পানির প্রায় সব উৎস, বিশেষ করে ভূপৃষ্ঠের পানি, প্রতিনিয়ত নানাভাবে দূষিত হচ্ছে। এবার আমরা সেই দূষণের কারণগুলো আলোচনা করব।
গোসলের পানি, পায়খানার বর্জ্যপানি কিংবা অন্যান্য কাজে ব্যবহারের পর সেই পরিত্যক্ত পানি কোথায় যায়, সেটা কি তোমরা জানো? বর্জ্যপানির বড় একটি অংশ নর্দমার নলের ভেতর দিয়ে নিয়ে নদনদীতে ফেলা হয় এবং সেগুলো পানিকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। এই বর্জ্যপানিতে রোগজীবাণু থেকে শুরু করে নানারকম রাসায়নিক বস্তু থাকে, যার কারণে পানি দূষিত হয়।

আমাদের বাসায় যেসব কঠিন বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়, সেগুলো আমরা কী করি? সাধারণত বাড়ির পাশে রাখা ডাস্টবিন বা অনেক সময় অবিবেচকের মতো খোলা জায়গায় ফেলে দিই। এসব বর্জ্য পদার্থ ১-২ দিনের মধ্যে পচতে শুরু করে। বৃষ্টি হলে সেই পচা বর্জ্য-যেখানে রোগজীবাণুসহ নানারকম রাসায়নিক পদার্থ থাকে, বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদনদী, খালবিল বা লেকের পানিকে দূষিত করে।

তোমরা সবাই জানো, কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য রাসায়নিক সার, জৈব সার আর পোকামাকড় মারার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এসব থেকে কি পানি দূষিত হতে পারে? হ্যাঁ, অবশ্যই পারে। বৃষ্টি হলে অথবা বন্যার সময় কৃষিজমি প্লাবিত হলে কৃষিজমিতে ব্যবহার করা রাসায়নিক আর জৈব সার এবং কীটনাশক বৃষ্টি বা বন্যার পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে।

শিল্পকারখানা থেকে কি পানি দূষিত হতে পারে? হ্যাঁ, পারে। নদনদীর পানিদূষণের সবচেয়ে বড় একটি কারণ হলো শিল্পকারখানায় সৃষ্ট বর্জ্য। তোমরা কি কেউ বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়েছ? গেলে দেখবে এর পানিতে দুর্গন্ধ এবং এর রং কুচকুচে কালো। এর কারণ হলো, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এক সময় গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি দ্রব্য চামড়া তৈরির কারখানা। এই চামড়ার কারখানা থেকে প্রচুর বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীতে গিয়ে পড়ার ফলে এর পানি দূষিত হচ্ছে।

সংবাদপত্র আর টেলিভিশনে বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ে প্রায়ই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বুড়িগঙ্গার মতো বাংলাদেশের বেশির ভাগ নদীর পানি টেক্সটাইল মিল, ডাইং, রং তৈরির কারখান, সার কারখানা, কাগজ তৈরির কারখানা ইত্যাদি নানারকম শিল্পকারখানার বর্জ্য পদার্থ দিয়ে দূষিত হচ্ছে। নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার বা জাহাজ থেকে ফেলা মলমূত্র আর তেলজাতীয় পদার্থের মাধ্যমেও নদনদী আর সমুদ্রের পানি দূষিত হয়। নদীর ভাঙন, ঝড়-তুফান দিয়েও মাটি, ধূলিকণা বা অন্যান্য পদার্থ পানিতে মিশে পানিকে দূষিত করে। পরীক্ষাগার থেকে পরিত্যক্ত পানি যেখানে এসিড, ক্ষারসহ নানারকম রাসায়নিক পদার্থ থাকে, সেগুলোও পানিকে দূষিত করে। রাসায়নিক পদার্থ যেমন-আর্সেনিক দিয়ে ভূগর্ভের পানিদূষণের কথা এখন আমাদের সবারই জানা।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

বিশুদ্ধ পানির ধর্ম কোনটি?

স্বাদযুক্ত

গন্ধযুক্ত

বর্ণহীন

তড়িৎ পরিবাহী

বিশুদ্ধ পানি হচ্ছে-

ঘোলাটে

স্বাদহীন

লবণাক্ত

কম অক্সিজেনযুক্ত

৪° সে. তাপমাত্রায় ১ সি. সি. পানির ভর কত?

১ মিলিগ্রাম

২ মিলিগ্রাম

১০ মিলিগ্রাম

১০০০ মিলিগ্রাম

নদ-নদীর পানি কেমন হয়?

অম্লীয়

লবণাক্ত

ক্ষারীয়

সবগুলো

বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে-

পানির তাপমাত্রা হ্রাস পায়

মিঠা পানির লবণাক্ত হ্রাস পায়

পানিতে অক্সিজেন বৃদ্ধি পায়

বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

নিচের কোনটি মরা নদী?

করতোয়া

হালদা

কর্ণফুলি

গঙ্গা

বিশুদ্ধ পানির বৈশিষ্ট্য কোনটি?

স্বাদহীন, গন্ধহীন ও নীলাভ বর্ণের

স্বাদযুক্ত, গন্ধহীন ও বর্ণহীন

বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বাদহীন

টকটুস্বাদযুক্ত, গন্ধহীন ও বর্ণহীন

ক্লোরিনেশন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?

সোডিয়াম হাইপোক্লোরেট

সোডিয়াম ক্লোরাইড

ক্যালসিয়াম সালফেট

ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড

জলজ উদ্ভিদ কোন উপায় বংশবিস্তার করে থাকে?

বীজের মাধ্যমে

কলমের মাধ্যমে

শাখার মাধ্যমে

অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে