- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- কাবুলের শেষ প্রহরে (ভ্রমণ-কাহিনি)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
কাবুলের শেষ প্রহরে (পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব)
বর্তমান অংশটি লেখকের বিখ্যাত ভ্রমণ-কাহিনি 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের শেষ পরিচ্ছেদের সংক্ষিপ্ত অংশবিশেষ। আফগান সরকারের শিক্ষা বিভাগে কাজ করার সময় লেখক কাবুলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাঁর গৃহপরিচারক আবদুর রহমানের সঙ্গে গড়ে ওঠে এক গভীর মানবিক সম্পর্ক। গৃহকর্ম ছাড়াও লেখকের দেখভালের প্রতিও আবদুর রহমানের ছিল তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। কিছুদিন পর কাবুলে হঠাৎ অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে খাবার-দাবারসহ নিরাপত্তারও সংকট দেখা দেয়। এ সংকটে লেখক ও আবদুর রহমান অল্প খাবার ভাগ করে খেতেন। এ পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসার জন্য লেখক বিমানের একটি আসন লাভ করেন। বিমানবন্দরে আবদুর রহমানের কাছ থেকে বিদায় গ্রহণের সময় আবেগঘন অবস্থার সৃষ্টি হয়। আফগানিস্তানে লেখকের উচ্চপদস্থ বহু বন্ধু থাকা সত্ত্বেও আবদুর রহমানকেই পরম বান্ধব বলে তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন।
মানুষের প্রতি ভালোবাসার সত্যিকারের প্রকাশ জাতি বা শ্রেণিতে আবদ্ধ থাকে না- তা সর্বদেশের, সর্বকালের।
ভ্রমণ-কাহিনি কাবুলের শেষ প্রহরে (সৈয়দ মুজতবা আলী)কাবুলের শেষ প্রহরে - সৈয়দ মুজতবা আলী (লেখক-পরিচিতি)কাবুলের শেষ প্রহরে (পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব)কাবুলের শেষ প্রহরে (শব্দার্থ ও টীকা)
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে লেখকের কী মনে পড়ল?
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে লেখকের কী মনে পড়ল?
বিমানবন্দরে যাওয়ার কথা
অফিসে যাওয়ার কথা
সমুদ্রতীরে যাওয়ার কথা
স্কুলে যাওয়ার কথা
বিমানে করে সর্বোচ্চ কয় পাউন্ড লাগেজ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল?
বিমানে করে সর্বোচ্চ কয় পাউন্ড লাগেজ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি ছিল?
দশ পাউন্ড
বারো পাউন্ড
পনেরো পাউন্ড
বিশ পাউন্ড
আবদুর রহমান লেখককে খাবার পরিবেশন করার পর কীসের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল?
আবদুর রহমান লেখককে খাবার পরিবেশন করার পর কীসের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল?
লেখকের দিকে
কার্পেটের দিকে
ফুলদানির দিকে
দরজার দিকে
লেখকের খাবার পরিবেশন করার পর আবদুর রহমান কার্পেটটির দিকে তাকিয়ে ছিল কেন?
লেখকের খাবার পরিবেশন করার পর আবদুর রহমান কার্পেটটির দিকে তাকিয়ে ছিল কেন?
লেখকের বিদায়ের ক্ষণ উপস্থিত হওয়ায়
কার্পেটে কিছু একটা পড়ে ছিল বলে
ঘোরতর অন্যায় করেছিল বলে
অর্থ সাহায্যের প্রয়োজন ছিল বলে

