- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বই পড়া (গদ্য)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
বই পড়া (সৃজনশীল প্রশ্ন)
জাতীয় জীবনধারা গঙ্গা-যমুনার মতোই দুই ধারায় প্রবাহিত। এক ধারার নাম আত্মরক্ষা বা স্বার্থপ্রসার, আরেক ধারার নাম আত্মপ্রকাশ বা পরমার্থ বৃদ্ধি। একদিকে যুদ্ধবিগ্রহ, মামলা-ফ্যাসাদ প্রভৃতি কদর্য দিক; অপরদিকে সাহিত্য, শিল্প, ধর্ম প্রভৃতি কল্যাণপ্রদ দিক। একদিকে শুধু কাজের জন্য কাজ। অপরদিকে আনন্দের জন্য কাজ। একদিকে সংগ্রহ, আরেক দিকে সৃষ্টি। যে জাতি দ্বিতীয় দিকটির প্রতি উদাসীন থেকে শুধু প্রথম দিকটির সাধনা করে, সে জাতি কখনও উঁচু জীবনের অধিকারী হতে পারে না।
ক. 'ভাঁড়েও ভবানী' অর্থ কী?
খ. 'অন্তর্নিহিত শক্তি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম দিকটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের যে দিকটিকে ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "উদ্দীপকে পরমার্থ বৃদ্ধির প্রতি যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মতকে সমর্থন করে"-মন্তব্যটির বিচার করো।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অর্থ কী?
প্রমথ চৌধুরীর মতে, কোন কথাটি শুনলে অনেকে চমকে উঠবেন?
বিদ্যার সাধনায় গুরুকে উত্তরসাধক বলা হয়েছে কেন?
'বই পড়া' প্রবন্ধে উল্লিখিত মা চরিত্রটি কার/কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে কীসের ওপর স্থান দিয়েছেন?
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে কীসের ওপর স্থান দিয়েছেন?
হাসপাতালের
স্কুল-কলেজের
অর্থ-বিত্তের
জ্ঞানী মানুষের
শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। কারণ শিক্ষা হলো-
'দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, আত্মার হয় না'- প্রমথ চৌধুরীর এ মন্তব্যে কী প্রকাশ পেয়েছে?
'বই পড়া' প্রবন্ধের আলোকে শিক্ষা সম্পর্কে আমাদের বিশ্বাস কোন ধরনের?
'বই পড়া' প্রবন্ধে তাৎকালীন স্কুল-কলেজের শিক্ষাকে মারাত্মক বলার কারণ কী?
'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক লাইব্রেরিকে কীসের উপর স্থান দিয়েছেন?
প্রতিটি লোক তার স্বীয় শক্তি ও রুচি অনুসারে নিজের মনকে জ্ঞানের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে কীভাবে?
'আমাদের শিক্ষাই আমাদেরকে নির্জীব করেছে'- এ কথা দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
উদ্দীপকটির ভাবার্থ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বাক্যে বিদ্যমান?
জ্ঞানের ভাণ্ডার ধনের ভাণ্ডার নয়।
শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না।
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
আমাদের বাজারে বিদ্যাদাতার অভাব নেই।

