• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

হুদায়বিয়ার সন্ধি (৬২৮ খ্রি.) ও এর ফলাফল 

হুদায়বিয়ার সন্ধি (Treaty of Hudaywiyh) : ইসলামের ইতিহাস তথা বিশ্বের ইতিহাসে হুদায়বিয়ার সন্ধি এক যুগান্তকারী ঘটনা। ইসলামি আন্দোলনে এ সন্ধি এক নবযুগের সূচনা করেছে। পবিত্র কুরআন শরিফে এ ঘটনাকে মুসলমানদের জন্য "ফাতহুম মুবীন" (Evident Victory) অর্থাৎ মহা বিজয় আখ্যা দেওয়া হয়েছে। হুদায়বিয়ার সন্ধি মহানবি (স.)-এর জীবনের এক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এ সন্ধিই প্রমাণ করে হযরত মুহম্মদ (স.) শুধু ধর্ম প্রচারকই নন, একজন রাজনীতিবিদ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ এবং ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। তাই হুদায়বিয়ার সন্ধি মহানবি (স.)-এর জীবনে তথা ইসলামের ইতিহাসে Land Mark অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

হুদায়বিয়ার সন্ধির পটভূমি: হযরত মুহম্মদ (স.) যষ্ঠ হিজরির জিলকদ মাসে মাতৃভূমি মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কারণ আরবের প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী এ মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ হারাম ছিল। ইবনে ইসহাক বলেছেন, "তার কাছে আল যুহরী বর্ণনা করেছেন, মহানবি (স.) যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা পোষণ না করে হুদায়বিয়ার বছর পবিত্র ঘর কাবা যিয়ারতের জন্য সত্তরটি উজ্জ্বী নিয়ে মক্কার দিকে রওয়ানা হয়েছিলেন।" তিনি আরও বলেন, মহানবি (স.) রওয়ানা হয়ে যখন 'ওসফান' নামক স্থানে পৌঁছেছিলেন তখন আবু সুফিয়ান আল কারীর পুত্র বিশর মহানবি (স.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলেছিলেন, "হে আল্লাহর রাসূল, কুরাইশরা আপনার যাত্রার সংবাদ পেয়ে চিতাবাঘের চামড়ার পোশাক পরিধান করে মক্কা হতে যাত্রা করেছে। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে আপনাকে কোনোক্রমেই মক্কায় প্রবেশ করতে দিবে না। তারা 'যুতুওয়া' নামক স্থানে প্রতিরোধ গড়েছে।"

হুদায়বিয়াতে তাঁবু স্থাপন মুহম্মদ (স.) কুরাইশদের দুরভিসন্ধির কথা অবগত হয়ে মক্কার পথে অগ্রসর না হয়ে মকার উপকণ্ঠে ৯ মাইল দূরে হুদায়বিয়াতে এক ঝরনার পাশে তাঁবু স্থাপন করেন। মহানবি (স.) বুদাইল নামক দূত মারফত কুরাইশদের জানান যে, "তারা শুধু হজ করতে এসেছেন কুরাইশদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে নয়।" কিন্তু কুরাইশগণ খুযায়া গোত্রের বুদাইলকে সন্দেহ করে এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। ফলে আলোচনা ভেঙে গেলে মহানবি (স.) পুনরায় হযরত ওসমান (রা.)-কে কুরাইশদের নিকট পাঠান। কিন্তু কুরাইশরা ভুল বুঝে হযরত উসমান (রা.)-কে আটক করে রাখেন।

বায়াৎ আল-রিদওয়ান: কুরাইশদের কর্তৃক হযরত ওসমান (রা.)-কে আটকানোর ঘটনা মুসলিম শিবিরে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে জনরব উঠল যে, কুরাইশরা ওসমান (রা.)-কে হত্যা করেছে। ফলে মুসলিম যোদ্ধাগণ ওসমান (রা.) হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য জীবনের বাজি রেখে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন। এ শপথকে ইসলামের ইতিহাসে "বায়তুর রিদওয়ান" (Pledge of the good Pleasure) বলা হয়। তাদের এ শপথ একটি গাছের নিচে গ্রহণ করা হয় বলে একে "বায়তুস শাজারা" (Pledge of the tree)ও বলা হয়।

হযরত ওসমান (রা.)-এর মুক্তিলাভ: মুসলমানদের শপথের সংবাদ শুনে কুরাইশরা ভীত হয়ে হযরত ওসমান (রা.)-কে মুক্তি দিয়ে সুহায়েল-বিন-আমরকে সন্ধির প্রস্তাব দিয়ে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর নিকট প্রেরণ করেন।

হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষর: সুহায়েল-বিন-আমর নবিজির নিকট উপস্থিত হয়ে সন্ধির প্রস্তাব পেশ করলে মহানবি (স.) হযরত আলী (রা.)-কে ডেকে বলেছিলেন যে, "লিখ, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।" অর্থাৎ পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। সুহায়েল প্রতিবাদ করেছিলেন, "আমি তা বিশ্বাস করি না।" বরং লিখ "হে আল্লাহ আমি আপনার নামে আরম্ভকরছি।" মহানবি (স.) বললেন, "বিসমিকা আল্লাহুম্মা" লিখ। হযরত আলী (রা.) তখন তা লিখে সন্ধিপত্র লিখা আরম্ভকরলেন। আরও লিখা হয়, মুহম্মদ-বিন-আব্দুল্লাহ এবং সুহায়েল-বিন-আমরের মধ্যে এ সন্ধি বা চুক্তি। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে, এ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল যা ইতিহাসে 'হুদায়বিয়ার সন্ধি' নামে পরিচিত।

সন্ধির প্রধান শর্তসমূহ:

১. এ বছর অর্থাৎ সন্ধির বছর (৬২৮ খ্রি.) মুসলমানগণ হজ না করে মদিনায় ফিরে যাবে।

২. পরবর্তী বছর হতে মুসলমানগণ হজ করতে মক্কায় আসতে পারবে কিন্তু তিন দিনের বেশি মকায় অবস্থান করতে পারবে না।

৩. মুসলমানগণ হজ করতে আসলে কুরাইশরা ঐ তিন দিন মক্কার বাইরে অবস্থান করবে।

৪. মুসলমানগণ এ সময়ে আত্মরক্ষার জন্য মাত্র কোষবন্ধ অস্ত্র সজো আনতে পারবে। কোনো মারণাস্ত্র সঙ্গে আনতে পারবে না।

৫. সন্ধির শর্তানুযায়ী দশ বছর যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ থাকবে; কেউ কারো অনিষ্ট করবে না।

৬. কোনো কুরাইশ মদিনায় গেলে মুসলমানগণ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে। কিন্তু কোনো মুসলমান মক্কায় গেলে কুরাইশরা তাকে ফেরত দিতে বাধ্য নয়।

৭. একদেশ অন্যদেশের বিরুদ্ধে গুপ্তচর বৃত্তি করবে না। অর্থাৎ গুপ্তচর বৃত্তি কন্ধ থাকবে।

৮. সংঘর্ষ এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি করার পরিস্থিতি সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ।

৯. আরবের গোত্রগুলো ইচ্ছা করলে মহানবি (স.) কিংবা কুরাইশদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সখ্যতা স্থাপন করতে পারবে।

১০. সন্ধি দশ বছর কাল স্থায়ী হবে।

১১. হজের সময় মুসলমানদের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করবে কুরাইশরা এবং মক্কার কুরাইশরা বিনা বাধায় মদিনার পথে বাণিজ্য করতে যেতে পারবে।

এছাড়া আরও কিছু শর্ত সন্ধিতে লিপিবদ্ধ করা হয়। লেখা শেষ হলে মহানবি (স.) মুসলমানদের মধ্য হতে স্বাক্ষীস্বরূপ আবু বকর, উমর-বিন-খাত্তাব, আব্দুর রহমান বিন-আউফ, সাদ-বিন-আবিওয়াক্কাস ও কুরাইশদের সুহায়েল-বিন-আমর, মুকাররাম বিন-হাফাস সন্ধিপত্রের স্বাক্ষর গ্রহণ করেন। আলী-বিন-আবু তালেব লেখক হিসেবে স্বাক্ষর করেন।

হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলাফল (Result of Treaty of Hudaywiyah)

হুদায়বিয়ার সন্ধি আপাতদৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য অসম্মানজনক মনে হলেও এ সন্ধি ছিল মুসলমানদের জন্য মহান বিজয়। তাই ইতিহাসে এ সন্ধিকে Land Mark অর্থাৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে অভিহিত করা হয়েছে। আল-কুরআনে আল্লাহ পাক বলেন, "নিশ্চয়ই আমি তোমাকে প্রকাশ্য বিজয় দান করলাম।" নিচে হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলাফল বর্ণনা করা হলো:

১. মদিনা প্রজাতন্ত্র: হুদায়বিয়ার সন্ধির দ্বারা কুরাইশরা মহানবি (স.)-কে একজন মহান নেতা এবং মদিনা একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেন।

২. শান্তি প্রতিষ্ঠা: হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলে যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ হওয়ায় মুসলমানগণ নিশ্চিতভাবে বসবাস করার সুযোগ লাভকরে। ইসলামি বিশ্বকোষে উল্লেখ আছে, এ সন্ধির ফলে মুসলমানগণ ক্রমাগত যুদ্ধ-বিগ্রহ হতে অব্যাহতি পেল এবং এটি ছিল বিজয়ের প্রথম পর্যায়।

৩. মহান বিজয়: ইসলামের ইতিহাসে তথা পৃথিবীর ইতিহাসে হ্রদায়বিয়ার সন্ধি মহাবিজয় হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। পবিত্র কুরআন শরিফে একে "ফাতেহুম মুবিন" (Evident Victory) বা শ্রেষ্ঠ বিজয় বলে উল্লেখ আছে। হযরত আবু বকর (রা.) বলেন, "হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলে আমরা যেরূপ জয়ী হয়েছি সেরূপ কখনো হইনি।"

৪. ইসলামের দ্রুত প্রসার লাভ হ্রদায়বিয়ার সন্ধির ফলে মুসলমানগণ আরবের বাইরে বিভিন্ন দেশের (সিরিয়া, পারস্যে) রাজদরবারে গমন করে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকে। ফলে অল্পদিনের মধ্যে ইসলাম ধর্ম আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিস্তার লাভ করে। আয-যোহরী বলেন, "There was no man of sense and judgement amongst the idolators who was not be there by to join Islam." অর্থাৎ "পৌত্তলিকদের মধ্যে এমন কোনো বিবেচক লোক ছিল না যে, ইসলামের ছায়াতলে আসতে প্রলুদ্ধ হয়নি।" সন্ধির আগে ১৯ বছর কঠোর পরিশ্রম করে মহানবি (স.) ইসলামের ছায়াতলে মাত্র ১,৪০০ জন লোক আনতে সক্ষম হন কিন্তু সন্ধির মাত্র দুবছরের মধ্যে ১০,০০০ জন লোক নিয়ে মক্কা বিজয় করেন। ইবনে হিশাম বলেন, "মুহম্মদ (স.) যেখানে মাত্র ১,৪০০ জন লোক নিয়ে হুদায়বিয়াতে গিয়েছিলেন, সেখানে দুবছর পর ১০,০০০ জন লোক নিয়ে মক্কা অভিযান পরিচালনা করেন।"

৫. খোজা সম্প্রদায়ের ইসলাম গ্রহণ (স.)-এর সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পরই মক্কার বনু খোজা সম্প্রদায় মহানবি এবং পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

৬. বিচক্ষণ কুরাইশদের ইসলাম গ্রহণ সন্ধি পরবর্তীতে ইসলামের ঘোর শত্রু সেনাপতি খালিদ-বিন-ওয়ালিদ ও আমর-বিন-আল আস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

৭. ইহুদিদের দমন: সন্ধির ফলে কুরাইশগণ নিরপেক্ষ হয়ে পড়েন। মহানবি (স-এ সুযোগে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী খাইবারের বিদ্রোহী ইহুদিদের দমন করার জন্য চেষ্টা করেন। কারণ ইহুদিগণ মুসলমানদেরকে মদিনা হতে বহিষ্কারের জন্য ষড়যন্ত্র করছিল।

৮. ইসলামের পথ প্রশস্ত: হুদায়বিয়ার সন্ধির ফলে ইসলাম দ্রুতগতি লাভ করে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রসার লাভকরে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ইসলামের মহত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ে। তাই মাত্র দুবছর পর ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানগণ বিনা বাধায় বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় করেন।

হুদায়বিয়া সন্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে হযরত আবু বকর বলেন, "হ্রদায়বিয়ার সন্ধির ফলে আমরা যেরূপ জয়ী হয়েছিলাম সেরূপ কখনই হইনি।"

ঐতিহাসিক ওয়াটসন বলেন, "হ্রদায়বিয়ার সন্ধি মহানবির (স.) রাজনৈতিক বিচক্ষণতার একটি শ্রেষ্ঠ দলিল।"

হুদায়বিয়ার সন্ধি সামান্য একটি চুক্তি; যার মধ্যে মুসলমানদের জন্য অপমানজনক শর্ত রয়েছে কিন্তু এ সম্পিকে আল-কুরআনে মহাবিজয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ সন্ধির সবদিক বিবেচনা করে হযরত আবু বকর বলেন, "হ্রদায়বিয়ার সন্ধিতে কুরাইশরা মুসলমানদের একটি জাতি, ইসলাম একটি ধর্ম, মদিনা একটি রাষ্ট্র, মহানবিকে একজন নেতা হিসেবে স্বীকার করেন।" এ সন্ধির ফলে মুসলমানদের সম্মুখে অগ্রসর হওয়ার পথে আর কোনো বাধা রইল না। ইসলাম অতি অল্প সময়ের মধ্যে পরিপূর্ণতা লাভ করার ফলে কুরাইশ শক্তি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.) - অন্যান্য প্রশ্ন

হযরত মুহম্মদ (স.)-এর বংশ পরিচয়- Parentage of Hazrat Muhammad (SM.)হযরত মুহম্মদ (স.)-এর বাল্যকাল ও মক্কা জীবনহযরত মুহম্মদ (স.) ও বিবি খাদিজা (রা.)মহানবি (স.)-এর হিজরত (৬২২ খ্রি.)মদিনা সনদ Charter of Madinaপ্রাথমিক যুদ্ধসমূহ: বদর, উহুদ ও খন্দকমদিনায় ইহুদিদের সঙ্গে মুহম্মদ (স.)-এর সম্পর্কহুদায়বিয়ার সন্ধি (৬২৮ খ্রি.) ও এর ফলাফল মক্কা বিজয় (জানুয়ারি, ৬৩০ খ্রি.) ও শান্তিনীতিবিদায় হজ ও বিদায় হজের ভাষণমহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর সংস্কারসমূহ মহানবি (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলি ও কৃতিত্ব মহানবি (স.) কত খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন?বদরের যুদ্ধে কুরাইশদের সেনাপতি কে ছিলেন?কত খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (স.) মক্কা বিজয় করেন?মহানবি (স.) কোন বংশে জন্মগ্রহণ করেন?হিজরত শব্দের অর্থ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়?হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাতার নাম কী?মহানবি (স.) কত খ্রিষ্টাব্দে ইন্তেকাল করেন?হিজরতের সময় মহানবি (স.)-এর সঙ্গী কে ছিলেন?মদিনার পূর্বনাম কী ছিল?উহুদের যুদ্ধে কুরাইশ নেতা কে ছিলেন?'কুরাইশ' শব্দের অর্থ কী?'মুহাম্মদ' শব্দের অর্থ কী?পবিত্র কাবাগৃহে রক্ষিত পাথরটির নাম কী?'হিলফুল ফুজুল' কে গঠন করেন?আল-আমিন শব্দের অর্থ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (স.) নবুয়ত লাভ করেছিলেন?'আনসার' শব্দের অর্থ কী?মদিনায় হিজরতকারীরা কী নামে পরিচিত?কোন ঘটনাকে মহানবি (স.)-এর জীবনের মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা বলা হয়?বিশ্বের সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান কোনটি?মদিনা সনদের কতটি ধারা ছিল?পবিত্র কুরআনে খন্দকের যুদ্ধকে কী নামে উল্লেখ করা হয়েছে?মুহাম্মদ (স.) কার পরামর্শে মদিনার চারপাশে পরিখা খনন করেছিলেন?'ফাতহুম মুবিন' অর্থ কী?কোন অভিযানকে 'গাজওয়াতুল ওসরাৎ' বলে?মেরাজ বলতে কী বোঝায়?হুদায়বিয়ার সন্ধিকে 'প্রকাশ্য বিজয়' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।নাখলার খণ্ডযুদ্ধকে বদরের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।'বায়তুল মাল' কী? ব্যাখ্যা কর।হযরত মুহাম্মদ (স.) কে আল-আমিন বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা কর।হিলফুল ফুজুল বলতে কী বোঝায়?হিজরত ও স্বদেশত্যাগের মধ্যে পার্থক্য কী?কাদেরকে আনসার ও মুহাজির বলা হয়?'ফাতহুম মুবিন' কী? ব্যাখ্যা কর।আকাবার শপথ বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ