- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) পদের প্রশ্ন সমাধান [১৪.০৭.২০২৬]
- পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ২০২৬
- বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে প্রধানত এলএনজি আমদানি করে থাকে?
বাংলাদেশের নিজস্ব গ্যাসের মজুত ধীরে ধীরে কমছে, অথচ বিদ্যুৎ, সার কারখানা, শিল্প ও ঘরোয়া রান্নার জন্য গ্যাসের চাহিদা প্রতিবছরই বাড়ছে। এই ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশ ২০১৮ সাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, অর্থাৎ এলএনজি আমদানি শুরু করে। মহেশখালীতে ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বসানো হয়, যেখানে জাহাজে করে আসা তরল গ্যাস আবার গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে পাঠানো হয়।
আমদানির মূল উৎস কাতার। দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় এলএনজি রপ্তানিকারক। বাংলাদেশ কাতারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে, যার আওতায় প্রায় ১৫ বছর ধরে নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস নিয়মিত পাওয়ার কথা। এর পাশাপাশি ওমানের সঙ্গেও একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি আছে, তবে পরিমাণে তা কাতারের চেয়ে কম। চাহিদা বেশি হলে, বিশেষ করে গ্রীষ্মে বিদ্যুতের লোড বাড়লে, বাংলাদেশ খোলা বাজার থেকে বা স্পট মার্কেট থেকেও অতিরিক্ত কার্go কেনে। কিন্তু নিয়মিত ও প্রধান সরবরাহটা আসে কাতার থেকেই।
চীন: চীন নিজেই বিশ্বের অন্যতম বড় এলএনজি আমদানিকারক। তাই বাংলাদেশকে গ্যাস সরবরাহের প্রশ্নই ওঠে না।
ভারত: ভারতও নিজে কাতার ও অন্যান্য দেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে। বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক মূলত জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ নিয়ে, এলএনজি নিয়ে নয়।
সৌদি আরব: দেশটি প্রধানত অশোধিত ও পরিশোধিত জ্বালানি তেলের জন্য পরিচিত। বাংলাদেশ সেখান থেকে তেল আনে, কিন্তু এলএনজির প্রধান উৎস সৌদি আরব নয়।
সুতরাং সঠিক উত্তর কাতার।

