• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • ভাব-সম্প্রসারণ
ভাব-সম্প্রসারণ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে

​অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,
তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে​

ভাব-সম্প্রসারণ : যে অন্যায় করে এবং যে সেই অন্যায় সহ্য করে, তারা উভয়ে সমান অপরাধী – উভয়ে সমান ঘৃণার পাত্র ।

আইনের দৃষ্টিতে অন্যায়কারীকে অপরাধী মনে করা হয়। তাই তার জন্য শাস্তির বিধান থাকে। আবার অনেক মানুষ আছে তারা সরাসরি অন্যায় করে না, কিন্তু পেছনে থেকে অন্যায়কারীকে সহায়তা করে বা অন্যায় করতে উৎসাহিত করে। আইনের আওতায় এরাও কখনো কখনো অপরাধী হিসেবে গণ্য হয়। আবার, এমনও লোক থাকে – যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্যায় করে না, অন্যায় ঘটার সময়ে শুধু নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। আইনের চোখে তাদের অপরাধী বলা যায় না। আইনের চোখে অপরাধী না হলেও এই নীরব দর্শকেরাও এক অর্থে অন্যায় ঘটাতে সহযোগিতা করে। কেননা, অন্যায় সংঘটিত হওয়ার সময়ে ওইসব দর্শক যদি সরব প্রতিবাদীর ভূমিকা পালন করত, তাহলে অন্যায় ঘটত না। আইনের চোখে এরা হয়তো অপরাধী নয়, কিন্তু বিবেকের দায় থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া যায় না। সমাজ থেকে অন্যায়কে দূর করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিবেকের দায়সম্পন্ন সচেতন মানুষের উপস্থিতিও জরুরি, যারা অন্যায়ের প্রতিবাদে সব সময়ে সোচ্চার হবে, সরব হবে। অপরাধী যাতে অপরাধ করার সুযোগ না পায়, সবাইকে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

অন্যায়কারীকে যথাযথভাবে শাস্তি দিলে অন্যায় প্রশ্রয় পায় না। আবার অন্যায় করতে না দিলে অন্যায়ের ঘটনা ঘটে না। তাতে সমাজ থেকে অন্যায় চিরতরে দূর হয়। তাই অন্যায়কারী এবং অন্যায়-সহ্যকারী উভয়ই সমাজে নিন্দনীয়।

আরো পড়ুন :

পূর্ববর্তী
ভাব-সম্প্রসারণ - অন্যান্য প্রশ্ন

অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহেআপনি আচরি ধর্ম শিখাও অপরেক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটিগ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন, নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজনজন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালোদুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্যপ্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় নাবই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় নাবার্ধক্য তাহাই – যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকেবিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গুমানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসেভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশযে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্ৰ শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচারযে সহে, সে রহে

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

ভাব-সম্প্রসারণে কোনটি আশা করা যায়?

বাহুল্য কথা
অনাবশ্যকীয় স্বল্পতা
আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য
অযৌক্তিক উপমা

ভাব-সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য কী?

সাহিত্য সৃষ্টি করা
বক্তব্য বুঝিয়ে দেয়া
অর্থ প্রকাশ করা
ভাষার উৎকর্ষতা সাধন

ভাব-সম্প্রসারণ বলতে কী বোঝায়?

কোনো বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তির অবতারণা করা
মোটামুটিভাবে কোনো কাহিনী সহজভাবে নেয়া
কোনো বক্তব্য বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যক্ত করা
বক্তব্যের অন্তর্নিহিত ভাবকে বিশদভাবে বিবৃত করা

ভাব-সম্প্রসারণের ভাষা কেমন হওয়া উচিত?

যৌক্তিক
অযৌক্তিক
প্রাসঙ্গিক
অপ্রাসঙ্গিক

প্রদত্ত অংশে রূপক, উপমা ইত্যাদি থাকলে ভাব-সম্প্রসারণকালে সেগুলো কী করতে হয়?

অবিকল দেখতে হয়
গ্রহণ করতে হয়
সার্থকতা দেখাতে হয়
বর্জন করতে হয়

ভাব-সম্প্রসারণের তিনটি লক্ষণীয় অংশ কী কী?

বাচ্যার্থ, লক্ষ্যার্থ ও দৃষ্টান্ত
বাচ্যার্থ, লক্ষ্যার্থ ও ভাবার্থ
মূলভাব, আনুষঙ্গিক ভাব ও সহযোগী ভাব
আভিধানিক অর্থ, ব্যবহৃত অর্থ ও উপমা

তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি, কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় তবে মানুষ হয়। এই কথার মূলভাব কোনটি?"

প্রকৃত মনুষ্যত্ব অর্জনের জন্য যথেষ্ট সাধনার দরকার
মানুষের সবকিছুই নির্ভর করে নিজের ভাগ্যের ওপর
প্রতিহিংসা, কদর্যতা, বিবেকহীনতা একইভাবে সক্রিয়
তরুলতা ও পশুপাখির জীবনধারা আবহমান কাল ধরে একই রূপ

কোন দুটির ব্যবহারে ভাব-সম্প্রসারণে আগাগোড়া সংযত হওয়া উচিত?

জটিল বাক্য ও সরল বাক্য
ক্রিয়াপদ ও জটিল বাক্য
উপমা ও অলঙ্কার
ক এবং খ

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি। এই অংশটির সম্প্রসারণ বা বিশ্লেষণে কোনটিকে মূলভাব ধরে নেবে?"

দিনের বেলায় আলোর উৎস সূর্য
দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো অনাবশ্যক
দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো অপব্যয়ের নামান্তর
অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক

ভাব-সম্প্রসারণ দ্বারা মূলভাবকে কী করা হয়?

বিশদ আলোচনা
সারমর্ম লিখন
স্বল্প আলোচনা
ক ও খ

'মানুষের জীবন ফুলের মতো'- এ উক্তিটির মূলভাব কোনটি?

মানুষ ও ফুলের মধ্যে যথেষ্ট মিল আছে
মানুষের জীবন ও ফুলের জীবন একই রকম
মানুষের জীবনে ফুলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম
মানবজীবন ফুলের মতো সৌন্দর্যমন্ডিত পরোপকারে নিয়োজিত

ভাব-সম্প্রসারণের বিষয়বস্তু কী হবে?

অপ্রাসঙ্গিক
যৌক্তিক
প্রাসঙ্গিক
অযৌক্তিক

কোনটি ভাব-সম্প্রসারণে হুবহু ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয়?

তথ্য
অলঙ্কার
উপমা
মূলছত্র/লেখকের উদ্ধৃতি

'ভাব-সম্প্রসারণ' কথাটির অর্থ কী?

ভাবের সংযোজন
ভাবের প্রসারণ
ভাবের সংকোচন
ভাবের বিয়োজন