• হোম
  • বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

  • ঢাকা বোর্ড
  • এসএসসি
  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
  • ২০২৫
Back
(১)

পলাশ বিশ্বাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বি.এ পাশ করে বিদেশে পাড়ি জমান। দীর্ঘ ১০ বছর পর তিনি দেশে ফিরে এসে নিজ গ্রামে একটি মুড়ি ও একটি চানাচুর কারখানা গড়ে তোলেন। এসব কারখানায় তিনি গ্রামের মহিলাদের কাজের সুযোগ করে দেন। এই কাজের মাধ্যমে মহিলাদের পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। তারা ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শেখাচ্ছেন ও স্বাস্থ্য সেবাও নিশ্চিত করছেন।

(২)

রাজন সাহেব একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করেন। এই সংস্থাটি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া তার ভাই জনাব মহিউদ্দীন পুলিশের চাকরি করেন। তিনি উক্ত সংস্থার একজন প্রতিনিধি হিসেবে আফ্রিকার একটি দেশে কর্মরত। সেখানকার মানুষের নিয়ম-শৃঙ্খলা, চাষাবাদ ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতার মাধ্যমে জনাব মহিউদ্দীন বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অংশ নিচ্ছেন।

(৩)

​ঘটনা-১: রমিজ মিয়া ১০ বছর ধরে আফ্রিকার একটি দেশে কর্মরত। তিনি প্রায়ই জ্বর এবং ডায়রিয়ায় ভোগেন। সাথে শুকনাকাশি লেগেই থাকে। তিনি দেশে ফিরে ডাক্তারের কাছে যান। ডাক্তারি পরীক্ষায় তার রক্তে একটি বিশেষ ধরনের ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

ঘটনা-২: অটোচালক সেলিম প্রতিদিনের ন্যায় যাত্রী নিয়ে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পিছন থেকে একটি লরি অটোবাইকে ধাক্কা দিলে সেলিমসহ দুজন যাত্রী আহত হন। এই ঘটনায় সেলিম একটি পা হারান। এই অবস্থায় তার পরিবার একটি বড় সমস্যায় পড়ে।

(৪)

হারুন সাহেব একজন স্থানীয় সরকারের প্রধান। তিনি ছাড়াও তার প্রতিষ্ঠানের আরো ২০ জন সদস্য আছেন। তার সরকার উপজেলা, পৌরসভা ও জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন। অপরদিকে, জনাব কবির অন্য একটি স্থানীয় সরকারের প্রধান। তিনি ছাড়াও তার সরকারে ১২ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছেন। তার সরকার এলাকার সড়ক, সেতু, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণ ও রক্ষাণাবেক্ষণ করে থাকেন।

(৬)

আশ্রায়ন প্রকল্পে বসবাসকারী জনাব রশিদ বিনা জামানতে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে মুরগির খামার করেন। অন্যদিকে জনাব নাঈম এম.এ পাশ করে নিজের জমি বন্ধক রেখে অন্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ২০,০০,০০০ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। সে টাকা দিয়ে তিনি নিজ পুকুরে মাছ চাষ করেন। এখন তার খামারে ৫ জন ব্যক্তি কাজ করেন।

(৭)

ক, খ এবং গ তিনটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নরূপ:

'ক'

উৎপাদনের স্বাধীনতা আছে।
মুনাফা অর্জন প্রধান লক্ষ্য।

'খ'

মুনাফা অর্জনের সুযোগ নেই।
কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেওয়া হয়।

'গ'

ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।
হালাল উপায়ে দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন​