- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ জনগণ ও পেশাজীবীদের ভূমিকা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ নিরস্ত্র জনগণের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালালে বাঙালি ছাত্র, জনতা, পুলিশ, ইপিআর সাহসিকতার সাথে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্তরের বাঙালি এবং অবাঙালিরা অংশগ্রহণ করে। এ যুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল এদেশের জনগণ। তাই যুদ্ধ শুরু হলে ছাত্র-ছাত্রী, পেশাজীবী, নারী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ নিজ নিজা অবস্থান থেকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তবে শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মীর অবদান ছিল খুবই প্রশংসনীয়। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে চালু করেন। এটি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো। পত্র-পত্রিকায় লেখা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে খবর প্রচার, দেশাত্মবোধক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, কবিতা ও নাটক পরিবেশন, কথিকা এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান "চরমপত্র" ও "জল্লাদের দরবার" ইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। এসব অনুষ্ঠান রণক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের মানসিক শক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করেছে, সাহস জুগিয়েছে, জনগণকে শত্রুর বিরুদ্ধে দুর্দমনীয় করেছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। যুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান, যুদ্ধ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ এবং আহতদের সেবা-শুশ্রুষা করে নারীরা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আবার এদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিরাট অংশ সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা - অনন্যা প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

