- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন দেশের ভূমিকা; মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নারকীয় তাণ্ডব বিশ্ব বিবেককে নাড়া দেয়। বিভিন্ন দেশ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায়। ভারত লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র, সরঞ্জাম এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে সাহায্য করে। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গড়ে তোলে। এছাড়া তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে সমর্থন করে। দেশটি জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশের বিরোধী কোনো বিল নিরাপত্তা পরিষদে পাস হতে দেয়নি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছিল। তবে মার্কিন জনগণ ও কতিপয় প্রভাবশালী সিনেট সদস্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছিল। বিশ্ব ইতিহাসে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রায় তিন লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং ৩০ লক্ষ শহিদের আত্মদানের বিনিময়ে বাংলার মানুষ লাভকরে একটি পতাকা এবং একটি স্বাধীন সার্বভৌম ভূখণ্ড। বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশের এবং পূর্ণ হয় বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা - অনন্যা প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

