- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ
কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূপ্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা-এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত। এ পাঠে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে জানব।
১. কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষিখাতের অবদান প্রায় ১১.৩০ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.০০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
খাদ্যশস্য কৃষিখাতের অন্যতম প্রধান উৎপন্ন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে। এছাড়া আমাদের শিল্পখাতের অনেক কাঁচামালের যোগান দেয় আমাদের কৃষি খাত, যেমন পাট শিল্প, চা, চামড়া শিল্প ইত্যাদি। এসব কারণেই কৃষিখাত এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত।
২. কৃষিখাতের প্রকৃতি কৃষিখাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।
এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্য, খরা, ঘূর্ণিঝড়) এবং বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।
কৃষিখাতের আরেকটি বড়ো ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজারব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষিক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।
৩. শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও অবদান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৫% এর বেশি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও খনন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ-এ খাতগুলোর সমন্বয়ে শিল্পখাত গড়ে উঠেছে।
৪. শিল্পখাতের প্রকৃতি: মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্পখাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের (Basic and Heavy Industries) অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়াশিল্প, তৈরি পোশাকশিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন-লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।
৫. জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জনসংখ্যাধিক্য। এদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১১৯ জন (জনশুমারি-২০২২)। কিন্তু ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৭১ জন বাস করেন। বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমহ্রাসমান।
তবে বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার উভয়ই তার প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে অনেক বেশি।
জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯। অর্থাৎ ২২.১ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর।
নরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।
৬. বেকারত্ব ও অর্ধ-বেকারত্ব: জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গণ্য করা যায়। বেকারত্ব হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন বয়স্ক ব্যাক্তির কাজ করার যোগ্যতা আছে, ইচ্ছা আছে কিন্তু কাজের সুযোগ নেই। আর অর্ধবেকারত্ব হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি তার কাজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, শিক্ষার তুলনায় কম কাজ পান বা কম মজুরিতে কাজ করেন বা পূর্ণ সময় নিয়োজিত না থেকে কম সময় কাজ করতে বাধ্য হোন।
৭. স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় ক। বাংলাদেশে ২০২২-২০২৩ সালে মাথাপিছু আয় ২৭৪৯ মার্কিন ডলার। নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ১৮.৭ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে।
৮. সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার: মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম যা জিডিপির ৩১.৮৬%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
৯. অবকাঠামোর দুর্বলতা: অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়-সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। এই আর্থসামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিস্বরূপ। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো অনুন্নত ও অপর্যাপ্ত।
১০. বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা: আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।
১১. বৈদেশিক বাণিজ্য: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য-চা, কাঁচাপাট: শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকব্জা, যন্ত্র পাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)। বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরেই রপ্তানি আয় আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে।
১২. প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।
প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড়ো অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড়ো একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি। এর ফলে প্রাকৃতিক ও খনিজসম্পদের সম্পূর্ণ পরিমাণ জানা ও এগুলোর পূর্ণ ব্যবহারও এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহমোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product)মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপজাতীয় অর্থনীতির খাতসমূহ ও মোট দেশজ উৎপাদনে এগুলোর অবদানকয়েকটি দেশের জনসংখ্যা ও মাথাপিছু আয়ের তুলনাবাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহবাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার প্রতিবন্ধকতাসমূহউন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ও এসব দেশের অর্থনীতিউন্নয়ন ধারণাঅর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নউন্নত দেশঅনুন্নত দেশউন্নয়নশীল দেশউন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কদেশের শ্রমশক্তির মোট কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা জানার জন্য কোনটি জানা প্রয়োজন?মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?উৎপাদনের উপাদান কতটি?জমির আয় কোনটি?শ্রমের আয় কোনটি?মূলধনের মালিককে কী প্রদান করা হয়?মূলধনের আয় কোনটি?সংগঠনের আয় কোনটি?উদ্যোক্তার আয় কোনটি?কোনো দেশের মোট আয় কয় ভাগে ব্যয় করা হয়?অর্থনীতিতে ব্যয়কারীদের প্রধানত কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী দ্রব্যের আর্থিক মূল্য = ?GNP = ?উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করতে হলে কোন দ্রব্যটি হিসাব করা হয়?কোনো দেশের নাগরিকের গড় আয়কে কী বলা হয়?মোট জাতীয় আয় ÷ জনসংখ্যা = ?নিচের কোনটি ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে?জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে কোন বিষয়টি বিবেচ্য?পৃথিবীর যেকোনো দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?'বনজ সম্পদ' কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত?খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত কাজ অর্থনীতির কোন খাতে অন্তর্গত?ব্যাংক-বিমা অর্থনীতির কোন খাতের অন্তর্গত?বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত কতটি খাতে ভাগ করা যায়?মৎস্য কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত?কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক কোনটি?বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করেছে?পৃথিবীর দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশের মাথাপিছু মোট আয় সবচেয়ে বেশি?নিম্ন আয়ের দেশের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?মধ্য আয়ের দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি কেমন?বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ কোনটি?কৃষি কোনটির ওপর নির্ভরশীল?বাংলাদেশে কত বছর ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের কবলে ছিল?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎ প্রবণতার প্রধান কারণ কী?পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় ইংরেজদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?কারা বাংলার সকল ব্যবসায় বাণিজ্যকে নিজেদের কুক্ষিগত করে?শিল্প বিপ্লব ঘটে কোথায়?দেশবিভাগ হয় কত সালে?উন্নয়নের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের দেশসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?উন্নত দেশের রাজনৈতিক অবস্থা কেমন?অনুন্নত দেশের জাতীয় উৎপাদনের একক বৃহত্তম খাত কোনটি?অনুন্নত দেশে ভারী শিল্পের অভাব রয়েছে কেন?অনুন্নত দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি কেন?অনুন্নত দেশে পুঁজিপতিরা বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায় না কেন?উন্নয়নশীল দেশের বৈশিষ্ট্য কোনটি?উন্নয়নশীল দেশসমূহে কিসের আধুনিকায়ন করা হয়?উন্নয়নশীল দেশে কীভাবে বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের বিবেচনায় কোন পর্যায়ভুক্ত?বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বড় বাজার কোন দেশ?বিগত এক দশক যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য মূলত কাদের সাথে বিস্তৃত?বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?SAARC এর পূর্ণ রূপ কোনটি?বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে ঋণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে কেন?বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে ঋণ সহায়তা গ্রহণ করে তার মধ্যে প্রধান কোনটি?এশীয় দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশ বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা প্রদান করে?উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয় কীভাবে নির্ণয় করা হয়? ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের সাংকেতিক সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।কৃষি খাত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত কেন? ব্যাখ্যা কর।অর্থনৈতিক নির্দেশক বলতে কী বোঝায়?মোট জাতীয় উৎপাদন বলতে কী বোঝ?মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?অর্থনীতিতে সেবা কী? সংক্ষেপে লেখ।চূড়ান্ত দ্রব্য বলতে কী বোঝ?মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করা হয় কেন?উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয় কী?সমাজের মোট ব্যয় বলতে কী বোঝায়?উৎপাদনের প্রাথমিক দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?মোট জাতীয় আয় বলতে কী বোঝায়?মোট দেশজ উৎপাদন কী? সংক্ষেপে লেখ।মাথাপিছু আয় ধারণাটি সংক্ষেপে বুঝিয়ে লেখ।মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।মাথাপিছু আয় কীভাবে ব্যক্তির জীবনমান নির্ধারণ করে?২০১০ সালে 'X' দেশের মোট জাতীয় আয় ছিল ৯৬০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি। ২০১০ সালে উক্ত দেশের মাথাপিছু আয় কত ছিল?ক দেশের মোট দেশজ উৎপাদন ২৫০০০ কোটি মার্কিন ডলার। ওই দেশে বসবাসরত বিদেশিদের আয় ২৪৮০ কোটি মার্কিন ডলার এবং প্রবাসীদের আয় ৫০০০ কোটি মার্কিন ডলার। উক্ত দেশের GNP কত?২০১৮ সালে 'X' দেশের GNP ছিল ৮৫৮২ বিলিয়ন ডলার, যখন রপ্তানি ও আমদানি ছিল যথাক্রমে ৪৫ ও ৩৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে ঐ দেশের GDP কত ছিল?একটি দেশের জনসংখ্যা যখন ১৬ কোটি এবং উক্ত সময়ের দেশটির মোট জাতীয় আয় ৮০০০ কোটি ইউএস ডলার। তখন দেশটির মাথাপিছু আয় কত?অর্থনীতির খাত বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের অর্থনীতির চারটি খাত উল্লেখ কর।বাংলাদেশের সমন্বিত বৃহৎ তিনটি খাত সম্পর্কে ধারণা দাও।মোট দেশজ উৎপাদনে সেবাখাতের অবদান মূল্যায়ন কর।মাথাপিছু জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?চারটি উচ্চ আয়ের দেশ উল্লেখ কর।উচ্চ আয়ের দেশ বলতে কী বোঝায়?কৃষিখাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতের পুরুত্ব ও অবদান মূল্যায়ন কর।বাংলাদেশের অর্থনীতির যেকোনো একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।একটি জনগোষ্ঠী কীভাবে মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়?মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ- মূল্যায়ন কর।ইংরেজ আমলে বাংলাদেশের কৃষক সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কেন?বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হয় কীভাবে?বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো উল্লেখ কর।শিল্পখাতের প্রতিবন্ধকতাসমূহ উল্লেখ কর।উন্নয়ন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাকে বলে?অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?উন্নত দেশ কাকে বলে?উন্নত দেশের আর্থসামাজিক অবকাঠামো তুলে ধর।উন্নত দেশের রাজনৈতিক অবস্থা তুলে ধর।অনুন্নত দেশ বলতে কী বোঝ?উন্নয়নশীল দেশ বলতে কী বোঝ?উন্নয়নশীল দেশের কৃষিব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দাও।বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে কেন?বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্পর্কে ধারণা দাও।মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP-এর সংজ্ঞা লেখ।মোট জাতীয় উৎপাদন কাকে বলে?মাথাপিছু আয় কী?GNP-এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কী?চূড়ান্ত দ্রব্য কাকে বলে?কোনো দেশের মোট আয় কতভাবে ব্যয়িত হয়?কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক কী?ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে কোনটি?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি কী?ভোগ কাকে বলে?উৎপাদনের উপাদান কয়টি?বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ব্যাখ্যা কর।কিসের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়?কেন উৎপাদিত সামগ্রীর মোট পরিমাণ নির্ণয় করা যায় না?দ্রব্যটি চূড়ান্ত পর্যায়ে কী হয়?তুলা থেকে কী তৈরি করা হয়?জমির আয় কী?মূলধনের আয় কী?সংগঠনের আয় কী?সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতে কী নির্ণয় করা যায়?মোট দেশজ উৎপাদন বুঝতে হলে কিসের ধারণা মনে রাখতে হবে?GNP ও GDP কী সমান হয়?মাথাপিছু আয় কী কী মান দ্বারা নির্ধারিত হয়?মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের সূত্র কী?বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কত?সেবা কী?বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়?অর্থনীতির খাত কী?বিশ্বের যেকোনো অর্থনীতিকে প্রধান কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম কোন খাতের অর্ন্তগত?সেবাখাতের অবদান কত?মধ্যম আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কত?বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছে?মধ্য আয়ের দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?নিম্ন আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কত?উচ্চ আয়ের দেশসমূহ কী দেশ হিসেবে স্বীকৃত?২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে?এদেশের শ্রমশক্তির কত অংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?বাণিজ্যের কয়টি দিক রয়েছে?বাংলাদেশের কৃষিখাতের অবদান কত?বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান কত?বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?বাংলাদেশের জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কেমন?বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে?বাংলাদেশকে কোন ধরনের দুর্যোগের দেশ বলা হয়?বাংলাদেশে কত বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ছিল?কোন শাসনামলে বাংলার স্বর্ণযুগ ছিল?কোন যুদ্ধের পরে বাংলায় ইংরেজদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক কী?কোনগুলো দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে?প্রবৃদ্ধির হার কাকে বলে?অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কাকে বলে?অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য কী?অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাকে বলে?অনুন্নত দেশে কী ধরনের শিল্পের প্রাধান্য দেখা যায়?কোন ধরনের দেশগুলোর অর্থনীতি শিল্পনির্ভর?উন্নত দেশ কাকে বলে?র্যাগনার নার্কস-এর মতে অনুন্নত দেশ কোনগুলো?এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সাহায্যদাতা দেশ হিসেবে উল্লেখযোগ্য দেশ কোনটি?‘এডিবি’ এর পূর্ণ রূপ কী?যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই কোন শ্রেণিভুক্ত?মোট দেশজ উৎপাদন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি কীভাবে দারিদ্র্য দূর করে?চূড়ান্ত দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।কখন GNP এবং GDP সমান হয়? ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় আয় বলতে কী বোঝায়?জিএনপি ও জিডিপি-এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।মোট ব্যয় পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্য হিসাব করা হয় কেন?মোট জাতীয় উৎপাদন বলতে কী বোঝায়?বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড়ো বাজার কোনটি?SAARC-এর পূর্ণরূপ কী?'মাথাপিছু আয়' ধারণাটি বুঝিয়ে লেখ।উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা হিসেবে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর।উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয় হিসেবে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর.দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশ কীভাবে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবন্ধ?প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার বলতে কী বোঝ?বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকাংশে কৃষির ওপর নির্ভরশীল কেন?কৃষিপ্রধান অর্থনীতির বর্ণনা দাও।কৃষি খাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।শিল্প খাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের নিম্ন মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মানের বর্ণনা দাও।প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা কীভাবে উৎপাদনকে ব্যাহত করছে? আলোচনা কর।সুশাসনের অভাব দেশের শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতিতে কেন অন্তরায় হিসেবে কাজ করে?আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধান করা উচিত কেন?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার জন্য সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতি একটি অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে সঞ্চয়ের হার কম কেন? ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ- ব্যাখ্যা কর।উন্নত দেশের যেকোনো পাঁচটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।অনুন্নত দেশ বলতে কী বোঝ?প্রবৃদ্ধির হার ২%- বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।অর্থনীতির প্রকৃতিগত পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।উন্নয়নশীল দেশ বলতে কী বোঝায়?বৈদেশিক বাণিজ্য বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশে কেন বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি বিরাজমান? ব্যাখ্যা কর।আমদানির কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রতিকূল- ব্যাখ্যা কর।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

