• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি
অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার প্রতিবন্ধকতাসমূহ

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে জেনেছি। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত, তবে শিল্পখাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো অপর্যাপ্ত ও অনুন্নত।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আমাদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অনগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।

১. ঐতিহাসিক কারণ: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায়-প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্পক্ষেত্রে ধাতবশিল্প, কাঠশিল্প ও বস্ত্রশিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।

মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল। বাংলার শিল্পজাত পণ্য বিশেষত বস্ত্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ সমাদৃত ছিল। কিন্তু ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পরে বাংলায় ইংরেজদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড়ো রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বজ্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত বস্ত্রশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়। এভাবে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের শিল্পজাত পণ্যের বাজারে পরিণত হয়। এই ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাংলাদেশ কৃষি ও শিল্পপণ্য রপ্তানির পরিবর্তে শুধু কাঁচামাল রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে লেনদেনের ভারসাম্য বাংলাদেশে অব্যাহত ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে সঞ্চয় ও মূলধন গঠনের প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হয়।

১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান। ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানে নানাভাবে অসম উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়। প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হয়ে যায়। কৃষি, শিল্প, ব্যবসায় বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুতেই আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়।

২. সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতি: স্বাধীনতার পর থেকেই ত্রুটিপূর্ণ গণতান্ত্রিক শাসন এবং শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের যথাযথ অংশগ্রহণ না থাকায় দুর্নীতি ও অপশাসন বিস্তার লাভ করতে থাকে। সুশাসনের দুই স্তম্ভ: জবাদিহিতা এবং স্বচ্ছতা সবসময় অনুপস্থিত ছিল। এর ফলে সুশাসনের ঘাটতি দুর্নীতির বিস্তার ঘটায়। যা একদিকে জনগণকে উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত করে অপর দিকে বিনিয়োগ বাধা গ্রস্ত হয়। কারণ দুর্নীতির উপস্থিতিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয় না। ফলে দুর্নীতি অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবসময়ই একটি প্রতিবন্ধকতা।

৩. কৃষিক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতাসমূহ: আমাদের কৃষিপ্রধান অর্থনীতিতে কৃষিজমির পরিমাণ ক্রমশ কমে আসছে। কৃষিকাজে উন্নত বীজ, সার, সেচ সুবিধা এবং আধুনিক চাষপ্রণালি প্রয়োগ করা হচ্ছে। তবে কৃষিকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট জনগণের একটি অংশের কাছে কৃষি সুবিধাগুলো এখনও পৌছেনি। কৃষি উন্নয়নের জন্য সুলভ কৃষিঋণ একটি বড়ো উপাদান। কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার অপর্যাপ্ততার কারণে বহু কৃষকের কাছে কৃষিঋণ এখনও সুলভ নয়। কৃষিক্ষেত্রে অগ্রসরতার সবচেয়ে বড়ো প্রতিবন্ধক অবকাঠামোর দুর্বলতা। সেচ সুবিধা, বীজ ও সারের অপর্যাপ্ততা এবং যথাসময়ে প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুতের অভাব ইত্যাদি।

৪. বাজারজাতকরণ ও সংরক্ষণ: উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ক্ষেত্রে পরিবহনের উচ্চ ব্যয়, পণ্য সম্প্রক্ষণ ও গুদামজাত করে রাখার সুবিধার অভাবে উৎপাদন কম হয়। আবার উৎপাদন পর্যায় থেকে বাজারজাত করা পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের যোগসাজসে ও তাদের আধিপত্যের ফলে প্রকৃত উৎপাদকেরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে তারা উৎপাদনের উৎসাহ হারিয়ে ফেলে এবং নতুন উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হয় না।
বাংলাদেশকে বলা হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নে একটি বড়ো বাধা। প্রতিবছরই এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল বন্যা, খরা, ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি ইত্যাদি কারণে দুর্যোগকবলিত হয়। এসব দুর্যোগ কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতির কারণ।

৫. শিল্পক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতাসমূহ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্পখাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প (Basic Industries) নেই বলে শিল্পখাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।

অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড়ো বাধা। প্রয়োজনীয়সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও অনুন্নত অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড়ো প্রতিবন্ধক।

ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্পখাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণসুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।

দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্পখাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও হ্রাস পায়।

৬. আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকতাসমূহ: আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে। পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড়ো উপাদান মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগ প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

৭. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক। অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম। এর সাথে পুষ্টিহীনতা ও সুস্বাস্থ্যের অভাব উৎপাদনশীলতা আরও কমিয়ে দেয়। শ্রমিক ও জনগণের মধ্যে উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ ও সাধ্যও কম। এসব কিছুই অর্থনীতির সকল খাত বিশেষত শিল্পখাতের অগ্রসরতাকে অনেকটাই বাধাগ্রস্ত করে রেখেছে।

যদিও নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তবুও সমাজের সকল ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় নারী এখনও অনগ্রসর। দেশের জনগণের অর্ধেকই নারী। এই পশ্চাৎপদতার ফলে নারীরা কর্মক্ষেত্রেও পিছিয়ে আছে। সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমনকি পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারীদের ভূমিকা খুব কম। এর ফলে ব্যাপকভাবে বাল্যবিবাহ, পারিবারিক সহিংসতা, অধিক সংখ্যক সন্তানের জন্মদানের ঘটনা ঘটছে।

আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক জনসংখ্যাধিক্য ও এর থেকে সৃষ্ট অন্যান্য সমস্যা। জনসংখ্যাধিক্যের কারণে দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ সকল ক্ষেত্রেই সরকারকে বাড়তি চাপ মোকাবিলা করতে হয়। জনসংখ্যা সমস্যা থেকে সৃষ্ট আরেকটি বড়ো সমস্যা বেকারত্ব। দেশের শ্রমশক্তির একটি বড়ো অংশ বেকার বা অর্ধবেকার। এর ফলে মাথাপিছু আয় কম হয়। সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হারও নিম্ন। ফলে নতুন শিল্প স্থাপনের হারও কম। বেকারত্ব অনেক সামাজিক সমস্যারও জন্ম দেয়। বেকার কিশোর ও তরুণেরা সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এতে সমাজজীবন পর্যুদস্ত হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

৮. প্রতিষ্ঠানিক ও নীতিগত সমস্যা: শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এবং উন্নয়ন বান্ধব নীতি অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রাষ্ট্রীয় নীতির দুর্বলতাও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। স্বাধীনতার পর সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের যে নীতি গ্রহণ করা হয় তা দেশে শিল্প বিকাশের জন্য ক্ষতিকর ছিল এবং দুর্নীতির বিস্তার ঘটায়। ফলে নীতির ধারবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সামর্থ্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত।

৯. প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগ কবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া বাড়িঘর, পথঘাট ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। বিশেষত প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখিসম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।

অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি - অন্যান্য প্রশ্ন

অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহমোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product)মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপজাতীয় অর্থনীতির খাতসমূহ ও মোট দেশজ উৎপাদনে এগুলোর অবদানকয়েকটি দেশের জনসংখ্যা ও মাথাপিছু আয়ের তুলনাবাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহবাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার প্রতিবন্ধকতাসমূহউন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ও এসব দেশের অর্থনীতিউন্নয়ন ধারণাঅর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নউন্নত দেশঅনুন্নত দেশউন্নয়নশীল দেশউন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কদেশের শ্রমশক্তির মোট কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা জানার জন্য কোনটি জানা প্রয়োজন?মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?উৎপাদনের উপাদান কতটি?জমির আয় কোনটি?শ্রমের আয় কোনটি?মূলধনের মালিককে কী প্রদান করা হয়?মূলধনের আয় কোনটি?সংগঠনের আয় কোনটি?উদ্যোক্তার আয় কোনটি?কোনো দেশের মোট আয় কয় ভাগে ব্যয় করা হয়?অর্থনীতিতে ব্যয়কারীদের প্রধানত কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী দ্রব্যের আর্থিক মূল্য = ?GNP = ?উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করতে হলে কোন দ্রব্যটি হিসাব করা হয়?কোনো দেশের নাগরিকের গড় আয়কে কী বলা হয়?মোট জাতীয় আয় ÷ জনসংখ্যা = ?নিচের কোনটি ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে?জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে কোন বিষয়টি বিবেচ্য?পৃথিবীর যেকোনো দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?'বনজ সম্পদ' কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত?খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত কাজ অর্থনীতির কোন খাতে অন্তর্গত?ব্যাংক-বিমা অর্থনীতির কোন খাতের অন্তর্গত?বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত কতটি খাতে ভাগ করা যায়?মৎস্য কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত?কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক কোনটি?বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করেছে?পৃথিবীর দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশের মাথাপিছু মোট আয় সবচেয়ে বেশি?নিম্ন আয়ের দেশের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?মধ্য আয়ের দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি কেমন?বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ কোনটি?কৃষি কোনটির ওপর নির্ভরশীল?বাংলাদেশে কত বছর ধরে ঔপনিবেশিক শাসনের কবলে ছিল?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎ প্রবণতার প্রধান কারণ কী?পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় ইংরেজদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?কারা বাংলার সকল ব্যবসায় বাণিজ্যকে নিজেদের কুক্ষিগত করে?শিল্প বিপ্লব ঘটে কোথায়?দেশবিভাগ হয় কত সালে?উন্নয়নের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের দেশসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?উন্নত দেশের রাজনৈতিক অবস্থা কেমন?অনুন্নত দেশের জাতীয় উৎপাদনের একক বৃহত্তম খাত কোনটি?অনুন্নত দেশে ভারী শিল্পের অভাব রয়েছে কেন?অনুন্নত দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি কেন?অনুন্নত দেশে পুঁজিপতিরা বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায় না কেন?উন্নয়নশীল দেশের বৈশিষ্ট্য কোনটি?উন্নয়নশীল দেশসমূহে কিসের আধুনিকায়ন করা হয়?উন্নয়নশীল দেশে কীভাবে বেকারত্ব সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের বিবেচনায় কোন পর্যায়ভুক্ত?বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বড় বাজার কোন দেশ?বিগত এক দশক যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য মূলত কাদের সাথে বিস্তৃত?বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?SAARC এর পূর্ণ রূপ কোনটি?বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে ঋণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে কেন?বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে ঋণ সহায়তা গ্রহণ করে তার মধ্যে প্রধান কোনটি?এশীয় দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশ বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা প্রদান করে?উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয় কীভাবে নির্ণয় করা হয়? ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের সাংকেতিক সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।কৃষি খাত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত কেন? ব্যাখ্যা কর।অর্থনৈতিক নির্দেশক বলতে কী বোঝায়?মোট জাতীয় উৎপাদন বলতে কী বোঝ?মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?অর্থনীতিতে সেবা কী? সংক্ষেপে লেখ।চূড়ান্ত দ্রব্য বলতে কী বোঝ?মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করা হয় কেন?উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয় কী?সমাজের মোট ব্যয় বলতে কী বোঝায়?উৎপাদনের প্রাথমিক দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?মোট জাতীয় আয় বলতে কী বোঝায়?মোট দেশজ উৎপাদন কী? সংক্ষেপে লেখ।মাথাপিছু আয় ধারণাটি সংক্ষেপে বুঝিয়ে লেখ।মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।মাথাপিছু আয় কীভাবে ব্যক্তির জীবনমান নির্ধারণ করে?২০১০ সালে 'X' দেশের মোট জাতীয় আয় ছিল ৯৬০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি। ২০১০ সালে উক্ত দেশের মাথাপিছু আয় কত ছিল?ক দেশের মোট দেশজ উৎপাদন ২৫০০০ কোটি মার্কিন ডলার। ওই দেশে বসবাসরত বিদেশিদের আয় ২৪৮০ কোটি মার্কিন ডলার এবং প্রবাসীদের আয় ৫০০০ কোটি মার্কিন ডলার। উক্ত দেশের GNP কত?২০১৮ সালে 'X' দেশের GNP ছিল ৮৫৮২ বিলিয়ন ডলার, যখন রপ্তানি ও আমদানি ছিল যথাক্রমে ৪৫ ও ৩৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে ঐ দেশের GDP কত ছিল?একটি দেশের জনসংখ্যা যখন ১৬ কোটি এবং উক্ত সময়ের দেশটির মোট জাতীয় আয় ৮০০০ কোটি ইউএস ডলার। তখন দেশটির মাথাপিছু আয় কত?অর্থনীতির খাত বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের অর্থনীতির চারটি খাত উল্লেখ কর।বাংলাদেশের সমন্বিত বৃহৎ তিনটি খাত সম্পর্কে ধারণা দাও।মোট দেশজ উৎপাদনে সেবাখাতের অবদান মূল্যায়ন কর।মাথাপিছু জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?চারটি উচ্চ আয়ের দেশ উল্লেখ কর।উচ্চ আয়ের দেশ বলতে কী বোঝায়?কৃষিখাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতের পুরুত্ব ও অবদান মূল্যায়ন কর।বাংলাদেশের অর্থনীতির যেকোনো একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।একটি জনগোষ্ঠী কীভাবে মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়?মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ- মূল্যায়ন কর।ইংরেজ আমলে বাংলাদেশের কৃষক সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কেন?বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হয় কীভাবে?বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো উল্লেখ কর।শিল্পখাতের প্রতিবন্ধকতাসমূহ উল্লেখ কর।উন্নয়ন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাকে বলে?অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?উন্নত দেশ কাকে বলে?উন্নত দেশের আর্থসামাজিক অবকাঠামো তুলে ধর।উন্নত দেশের রাজনৈতিক অবস্থা তুলে ধর।অনুন্নত দেশ বলতে কী বোঝ?উন্নয়নশীল দেশ বলতে কী বোঝ?উন্নয়নশীল দেশের কৃষিব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দাও।বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে কেন?বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্পর্কে ধারণা দাও।মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP-এর সংজ্ঞা লেখ।মোট জাতীয় উৎপাদন কাকে বলে?মাথাপিছু আয় কী?GNP-এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কী?চূড়ান্ত দ্রব্য কাকে বলে?কোনো দেশের মোট আয় কতভাবে ব্যয়িত হয়?কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক কী?ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে কোনটি?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি কী?ভোগ কাকে বলে?উৎপাদনের উপাদান কয়টি?বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ব্যাখ্যা কর।কিসের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়?কেন উৎপাদিত সামগ্রীর মোট পরিমাণ নির্ণয় করা যায় না?দ্রব্যটি চূড়ান্ত পর্যায়ে কী হয়?তুলা থেকে কী তৈরি করা হয়?জমির আয় কী?মূলধনের আয় কী?সংগঠনের আয় কী?সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতে কী নির্ণয় করা যায়?মোট দেশজ উৎপাদন বুঝতে হলে কিসের ধারণা মনে রাখতে হবে?GNP ও GDP কী সমান হয়?মাথাপিছু আয় কী কী মান দ্বারা নির্ধারিত হয়?মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের সূত্র কী?বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কত?সেবা কী?বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়?অর্থনীতির খাত কী?বিশ্বের যেকোনো অর্থনীতিকে প্রধান কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম কোন খাতের অর্ন্তগত?সেবাখাতের অবদান কত?মধ্যম আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কত?বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশগুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছে?মধ্য আয়ের দেশগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?নিম্ন আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কত?উচ্চ আয়ের দেশসমূহ কী দেশ হিসেবে স্বীকৃত?২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে?এদেশের শ্রমশক্তির কত অংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?বাণিজ্যের কয়টি দিক রয়েছে?বাংলাদেশের কৃষিখাতের অবদান কত?বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান কত?বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?বাংলাদেশের জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কেমন?বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে?বাংলাদেশকে কোন ধরনের দুর্যোগের দেশ বলা হয়?বাংলাদেশে কত বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ছিল?কোন শাসনামলে বাংলার স্বর্ণযুগ ছিল?কোন যুদ্ধের পরে বাংলায় ইংরেজদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক কী?কোনগুলো দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে?প্রবৃদ্ধির হার কাকে বলে?অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কাকে বলে?অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য কী?অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাকে বলে?অনুন্নত দেশে কী ধরনের শিল্পের প্রাধান্য দেখা যায়?কোন ধরনের দেশগুলোর অর্থনীতি শিল্পনির্ভর?উন্নত দেশ কাকে বলে?র‍্যাগনার নার্কস-এর মতে অনুন্নত দেশ কোনগুলো?এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সাহায্যদাতা দেশ হিসেবে উল্লেখযোগ্য দেশ কোনটি?‘এডিবি’ এর পূর্ণ রূপ কী?যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই কোন শ্রেণিভুক্ত?মোট দেশজ উৎপাদন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি কীভাবে দারিদ্র্য দূর করে?চূড়ান্ত দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।কখন GNP এবং GDP সমান হয়? ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় আয় বলতে কী বোঝায়?জিএনপি ও জিডিপি-এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।মোট ব্যয় পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর।মোট জাতীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্য হিসাব করা হয় কেন?মোট জাতীয় উৎপাদন বলতে কী বোঝায়?বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড়ো বাজার কোনটি?SAARC-এর পূর্ণরূপ কী?'মাথাপিছু আয়' ধারণাটি বুঝিয়ে লেখ।উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা হিসেবে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর।উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয় হিসেবে মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ ব্যাখ্যা কর.দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশ কীভাবে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবন্ধ?প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার বলতে কী বোঝ?বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকাংশে কৃষির ওপর নির্ভরশীল কেন?কৃষিপ্রধান অর্থনীতির বর্ণনা দাও।কৃষি খাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।শিল্প খাতের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের নিম্ন মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মানের বর্ণনা দাও।প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা কীভাবে উৎপাদনকে ব্যাহত করছে? আলোচনা কর।সুশাসনের অভাব দেশের শিল্প ও সেবা খাতের অগ্রগতিতে কেন অন্তরায় হিসেবে কাজ করে?আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধান করা উচিত কেন?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার জন্য সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতি একটি অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে সঞ্চয়ের হার কম কেন? ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ- ব্যাখ্যা কর।উন্নত দেশের যেকোনো পাঁচটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।অনুন্নত দেশ বলতে কী বোঝ?প্রবৃদ্ধির হার ২%- বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।অর্থনীতির প্রকৃতিগত পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।উন্নয়নশীল দেশ বলতে কী বোঝায়?বৈদেশিক বাণিজ্য বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশে কেন বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি বিরাজমান? ব্যাখ্যা কর।আমদানির কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রতিকূল- ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

মাথাপিছু আয়কে প্রকাশ করা যায়-

মাথাপিছু আয় = মোট জাতীয় আয় / মোট জনসংখ্যা
মাথাপিছু আয় = মোট জনসংখ্যা / মোট জাতীয় আয়
মাথাপিছু আয় = মোট সম্পদ / মোট জনসংখ্যা
মাথাপিছু আয় = মোট ব্যয় / মোট আয়

'ক' দেশটির GNP কত?

২৭,৫২০ কোটি মার্কিন ডলার
২৮,৫২০ কোটি মার্কিন ডলার
৩০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার
৩২,৪৮০ কোটি মার্কিন ডলার

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার মূল কারণ কী?

প্রাকৃতিক দুর্যোগ
ঔপনিবেশিক শাসন
রাজনৈতিক অস্থিরতা
মানুষের অসচেতনতা

ভারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?

লোহা ও ইস্পাত
বিদ্যুৎ ও সার
পোশাক ও ইস্পাত
লোহা ও পাট

অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক কী?

মাথাপিছু আয়
শিল্পায়ন
চিকিৎসা
স্বাস্থ্যসেবা

উচ্চ মধ্য আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কত?

১,০০৫ ডলার বা তার কম
১,০০৬-৩,৯৭৫ ডলার
৩,৯৭৬-১২,২৭৫ ডলার
১২,২৭৬ ডলার বা তার বেশি