- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- উমাইয়া খিলাফত
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
খলিফা দ্বিতীয় ওয়ালিদ (৭৪৩-৭৪৪ খ্রি.)
ক্ষমতা লাভ: হিশামের মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতা দ্বিতীয় ইয়াজিদের পুত্র দ্বিতীয় ওয়ালিদ ৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে দামেস্কের সিংহাসনে আরোহণ করেন। উমাইয়া খিলাফতের তৎকালীন বিপজ্জনক অবস্থায় প্রয়োজন ছিল একজন যোগ্য ও শক্তিশালী শাসক। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত দ্বিতীয় ওয়ালিদ ছিলেন অধার্মিক, বিলাসী, নিষ্ঠুর ও দুর্নীতিপরায়ণ।
দমন নীতি: সিংহাসনে আরোহণের অব্যবহিত পর তিনি হিশামের আত্মীয়-স্বজন ও প্রীতিভাজনদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তাদের অত্যাচার করেন। দ্বিতীয় ওয়ালিদ সৈন্য ও জনসাধারণের মধ্যে প্রচুর অর্থ বিতরণ করে সাময়িকভাবে জনপ্রিয়তা লাভকরলেও রাজকোষ শূন্য হয়ে রাষ্ট্রে অর্থ সংকট দেখা দেয়। ফলে তাঁর কার্যকলাপে জনগণ তার উপর বিরূপ হয়ে ওঠে।
বিদ্রোহ ও তার পতন: কুফার সাবেক শাসনকর্তা খালিদ আল-কাসরী এ সময় নিহত হয়েছিলেন। এতে ইয়েমেনীরা খলিফার প্রতি অসন্তুষ্ট হন। দ্বিতীয় ওয়ালিদ তাঁর দুপুত্রকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করতে ব্যর্থ চেষ্টা করলে এতে জনগণ তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে। প্রথম ওয়ালিদের পুত্র তৃতীয় ইয়াজিদ এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন। বিদ্রোহীদের হাতে খলিফা রাজপ্রাসাদে অবরুদ্ধ হয়ে নিহত হন। এভাবে দ্বিতীয় ওয়ালিদের এক বছরের কুশাসন ও দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণ তৃতীয় ইয়াজিদকে সিংহাসনে বসায়।
উমাইয়া খিলাফত - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

