• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অনুচ্ছেদ
অনুচ্ছেদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বইমেলা

বইমেলা হলো বইকে উপলক্ষ করে লেখক ও পাঠকের মিলনমেলা। আনন্দঘন পরিবেশে বই কেনা-বেচার সুযোগ ঘটে বইমেলায়। এই মেলাতে বইয়ের প্রকাশকগণ তাঁদের নতুন ও পুরনো বই নিয়ে দোকান সাজান, পাঠক সেখান থেকে তাঁর পছন্দের বই দেখেশুনে কিনতে পারেন। এটা বইমেলার সবচেয়ে বড়ো সুবিধা। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুট শহরে বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে বইমেলার সূচনা হয় ১৯৭২ সালে মুক্তধারার প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহার উদ্যোগে। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু হয় বাংলা একাডেমি "অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এই মেলায় শুধু বই কেনাবেচাই নয়, নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ড বাংলা একাডেমি গ্রহণ করে। ২০১৪ সাল থেকে বইমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর এই মেলার উদ্বোধন করেন। বইমেলা মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; বিশেষভাবে শিশু-কিশোররা বাবা- মার সাথে বইমেলায় গিয়ে নিজেদের পছন্দের বইটি সংগ্রহ করতে পারে, নতুন নতুন বইয়ের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। বইমেলাকে কেন্দ্র করে অনেক লেখক তাঁদের নতুন বই প্রকাশ করেন; পাঠকও নতুন নতুন ধারণার সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন।

বইমেলা

বই মানবসভ্যতার অন্যতম প্রাণসভা। বই মানুষকে পূর্ণতা দেয়; জীবনকে। করে সমৃদ্ধ। বইমেলা আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। বইমেলাকে লক্ষ করে লেখক, প্রকাশক, পাঠক, বিদ্যোৎসাহী সবাই থাকে তৎপর। মানুষের মধ্যে বই সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি, বই পাঠের ব্যাপক প্রসার, মননশীলতা বৃদ্ধিতে বইমেলা অর্থবহ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্ব ইতিহাসে ১৮০২ সালে ম্যাথু কেরীর উদ্যোগে প্রথম বইমেলার আয়োজন হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। ১৮৭৫ সালে প্রায় একশ জন প্রকাশক মিলে নিউইয়র্কের ক্লিনটন শহরে আয়োজন করে বৃহৎ এক বইমেলার। ওই মেলায় প্রদর্শিত হয়েছিল প্রায় ত্রিশ হাজার বই। ১৯৪৯ সালে শুরু হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের বৃহৎ বইমেলা। বাংলাদেশে বইমেলার ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। ১৯৭২ সালে মুক্তধারা প্রকাশনীর কর্ণধার চিত্তরঞ্জন সাহা নিজের উদ্যোগে প্রথম বইমেলার আয়োজন করেন। ১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমি পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক বইমেলার আয়োজন করে। ১৯৮৫ সাল থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বইমেলার নাম দেওয়া হয় 'একুশে বইমেলা'। এই মেলা এখন আমাদের প্রাণের মেলায় পরিণত হয়েছে। লেখক, প্রকাশক ও লক্ষ লক্ষ পাঠক সারা বছর ধরে এ মেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে এই বইমেলা। এ মেলাতেই মিলন ঘটে লেখক-পাঠকের, প্রকাশক-লেখকের। বইমেলার উৎসবে যোগ দিয়ে পাঠক পরিচিত হন নিত্য নতুন বইয়ের সঙ্গে। বিচিত্র লেখকের, বিচিত্র বর্ণের, বিচিত্র বিষয়ের উন্নত মানের বই মন কেড়ে নেয় পাঠকদের। বইয়ের প্রতি তাদের আকর্ষণ বাড়ে; তৈরি হয় বই কেনার মানসিকতা। সর্বসাধারণকে পাঠমুখী করা এবং মননশীল জাতি গঠনের ক্ষেত্রে তাই বইমেলার গুরুত্ব অপরিসীম।

অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা শহিদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারিবিশ্ববিদ্যালয়বৈশাখী মেলাবইমেলাজাদুঘরসুন্দরবনরেলগাড়িস্বাধীনতা দিবসজাতীয় পতাকাজাতীয় সংগীতকম্পিউটারমোবাইল ফোনপদ্মা নদীজন্মদিনের সন্ধ্যাজুলাই বিপ্লব: ২০২৪শিষ্টাচারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিশীতের সকালদ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনঅতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি ইন্টারনেটকর্তব্যনিষ্ঠাকৃষি উদ্যোক্তাখাদ্যে ভেজালগ্রন্থাগারডিজিটাল বাংলাদেশডেঙ্গুজ্বর বা ডেঙ্গু: সতর্কতা ও প্রতিরোধতথ্য-প্রযুক্তিনারীশিক্ষানিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলাবোধপরিবেশ দূষণবই পড়াবই পড়ার আনন্দবাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধবিজয় দিবসবৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষরোপণবুদ্ধিজীবী হত্যাশিশুশ্রমশীতের একটি সকালশৈশবস্মৃতিসত্যবাদিতাযানজটযৌতুকপ্রথারাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ