• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অনুচ্ছেদ
অনুচ্ছেদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

জাতীয় সংগীত

রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত দেশপ্রেমমূলক গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সূচনায় বা জাতীয় দিবসসমূহ পালনের সময়ে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিদিন সকালের সমাবেশে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময়ে সমবেত সকলকে উঠে দাঁড়াতে হয়। এটা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সামিল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলা শুরুর আগেও প্রতিযোগীরা নিজ নিজ দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম লাইন: 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।' বাউল গানের সুরে গানটি রচনা করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গানটিকে জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। গানটির কথায় বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধরনের জাতীয় সংগীত দেশের মানুষকে নিজ দেশের প্রতি দায়বদ্ধ হতে শেখায় ।

জাতীয় সংগীত

জাতীয় সংগীত হলো সেই গান, যাতে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রকৃতি ও সত্তা ফুটে ওঠে। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই জাতীয় সংগীত রয়েছে। তবে যতদূর জানা যায়, নবম শতাব্দীতে জাপানে 'কিম গাও' (Kim Gao) নামে একধরনের গানের প্রচলন ছিল। ধারণা করা হয়, এটিই পৃথিবীর প্রথম জাতীয় সংগীত। ১৭৪৫ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে জাতীয় সংগীত প্রবর্তিত হয়। গানটি ছিল রাজাকে ঘিরে, 'God Save the King' বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতবিতান' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। গানটি রচিত হয় ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের 'প্রেক্ষাপটে আর প্রকাশিত হয় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায়। এই গানটির সুর দিয়েছেন কবিগুরু নিজেই। গানটির প্রথম ১০ চরণ ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহারে জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। আমাদের জাতীয় সংগীত ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কবি সৈয়দ আলী আহসান। জাতীয় সংগীত দেশের গণমানুষের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও দেশাত্মবোধকে জাগিয়ে তুলতে অনন্যসাধারণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গানটি গাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হয়। ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি, বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম ১০ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যন্ত্রসংগীতে ও সামরিক বাহিনীতে ব্যবহার করা হয় প্রথম চারটি লাইন। একই বছর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহার করা 'আমার সোনার বাংলা' গানটির স্বরলিপি বিশ্বভারতী সংগীত বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়। শ্রোতাদের পছন্দানুসারে বিবিসি বাংলার তৈরি সেরা বিশটি বাংলা গানের তালিকায় এই গানটি প্রথম স্থান দখল করে। এছাড়া ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ২০৫টি দেশের জাতীয় সংগীতের তুলনামূলক বিচারে দৈনিক 'গার্ডিয়ান' পত্রিকার মতে, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত দ্বিতীয় হয়।

অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা শহিদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারিবিশ্ববিদ্যালয়বৈশাখী মেলাবইমেলাজাদুঘরসুন্দরবনরেলগাড়িস্বাধীনতা দিবসজাতীয় পতাকাজাতীয় সংগীতকম্পিউটারমোবাইল ফোনপদ্মা নদীজন্মদিনের সন্ধ্যাজুলাই বিপ্লব: ২০২৪শিষ্টাচারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিশীতের সকালদ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনঅতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি ইন্টারনেটকর্তব্যনিষ্ঠাকৃষি উদ্যোক্তাখাদ্যে ভেজালগ্রন্থাগারডিজিটাল বাংলাদেশডেঙ্গুজ্বর বা ডেঙ্গু: সতর্কতা ও প্রতিরোধতথ্য-প্রযুক্তিনারীশিক্ষানিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলাবোধপরিবেশ দূষণবই পড়াবই পড়ার আনন্দবাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধবিজয় দিবসবৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষরোপণবুদ্ধিজীবী হত্যাশিশুশ্রমশীতের একটি সকালশৈশবস্মৃতিসত্যবাদিতাযানজটযৌতুকপ্রথারাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ