- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অনুচ্ছেদ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
জাতীয় পতাকা
জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। পৃথিবীর প্রতিটি দেশের আলাদা জাতীয় পতাকা রয়েছে। সাধারণত এক খণ্ড কাপড় দিয়ে জাতীয় পতাকা তৈরি করা হয়। এর আকার সুনির্দিষ্ট। আয়তাকার পতাকাই বেশি। যে দণ্ডের সঙ্গে পতাকাটি বেঁধে টাঙানো হয়, সেই দণ্ডকে বলে পতাকা-দণ্ড। সরকারি অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া জাতীয় দিবসগুলোতে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা শোভা পায়। আন্তর্জাতিক খেলাধুলার সময়ে কোনো দেশের খেলোয়াড়দের সমর্থন করার সময়ে সমর্থকেরা সেই দেশের পতাকা উড়িয়ে থাকে। জাতীয় শোক দিবসে এবং সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী কোনো শোক পালন করার সময়ে জাতীয় পতাকাকে অর্ধনমিত করা হয়, অর্থাৎ পতাকা দণ্ডের উপর দিকে পতাকার প্রস্থের সমান অংশ বাদ দিয়ে পতাকাটি টাঙানো হয়। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত ১০: ৬। এর পাঁচটি পরিমাপ রয়েছে - ১০ ফুট : ৬ ফুট, ৫ ফুট : ৩ ফুট, ২.৫ ফুট : ১.৫ ফুট, ১৫ ইঞ্চি : ৯ ইঞ্চি, এবং ১০ ইঞ্চি : ৬ ইঞ্চি। 'প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত'। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ রং সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যকে নির্দেশ করে এবং উদীয়মান সূর্যের মতো এর লাল বৃত্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের নির্দেশ করে।
জাতীয় পতাকা
জাতীয় পতাকা একটি দেশের ঐতিহ্য, মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক। পৃথিবীর প্রতিটি স্বাধীন দেশের একটি জাতীয় পতাকা থাকে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারেরও তেমনি একটি নির্দিষ্ট নকশার পতাকা রয়েছে। আমাদের জাতীয় পতাকার রং লাল-সবুজ। এর নকশায় ঘন সবুজ রঙের উপর লাল রঙের একটি বৃত্ত রয়েছে। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্স পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০: ৬। জাতীয় পতাকার ৫টি পরিমাপ রয়েছে। ১০ ফুট ৬ ফুট, ৫ ফুট: ৩ ফুট, ২.৫ ফুট: ১.৫ ফুট, ১৫ ইসি ৯ ইন্যি; ১০ ই্যি: ৬ ইঞ্চি। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল নকশাকার শিবনারায়ণ দাশ। তবে তাঁর করা নকশায় লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙে আঁকা বাংলাদেশের মানচিত্র স্থান পেয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে ছাত্র সমাবেশে বাংলাদেশের পতাকা হিসেবে এ পতাকাই উত্তোলিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান সর্বপ্রথম মানচিত্রটিকে পরিমার্জন করে চূড়ান্ত নকশা করেন। বাংলাদেশের পত্যকায় বিদ্যমান রং দুটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সবুজ রং আমাদের সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিকে তুলে ধরে এবং দেশের তারুণ্য ও সজীবতার ইঙ্গিত বহন করে। অন্যদিকে লাল রং নতুন দিনের সম্ভাবনার প্রতীক লাল সূর্যকে ইঙ্গিত করে। বাংলাদেশের পতাকা বাংলাদেশের মানুষের আশাভরসার প্রতীক। এটি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বহন করে চলেছে। জাতীয় দিবসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়। শোক দিবসগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। জাতীয় পতাকা আমাদের মাঝে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। এটি আমাদের অন্যতম গর্বের প্রতীক। জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানো এবং এর সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা ধারণ করা প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব।
অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

