- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অনুচ্ছেদ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
কম্পিউটার
কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন। কম্পিউটার শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'কম্পিউট' থেকে, যার অর্থ হিসাব বা গণনা করা। প্রথম দিকে কম্পিউটার শুধু হিসাব করার যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু কালক্রমে কম্পিউটারের এমন বিকাশ ঘটেছে যে, একুশ শতকের সূচনায় এসে কম্পিউটার মানুষের জীবনযাত্রার সকল কাজের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। অসংখ্য বিজ্ঞানীর বহু বছরের সাধনার ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তির এই অভাবনীয় বিকাশ ঘটেছে। দাপ্তরিক কাজ, লেখালেখি, শিক্ষকতা, প্রকাশনা, বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনোদনসহ সব ধরনের কাজ এখন পুরোপুরি কম্পিউটার-নির্ভর। নানা ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনের কাজে শিক্ষার্থী ও গবেষককে কম্পিউটারের সাহায্য নিতে হয়। কম্পিউটারের বাহ্যিক যন্ত্রাংশকে বলে হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রপাতি। হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে কিবোর্ড, মাউস, র্যাম, মাদারবোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি। যেসব প্রোগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার কাজ করে সেগুলোকে বলে সফটওয়্যার। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতে চায়; এর মানে কম্পিউটার প্রযুক্তির যাবতীয় সুবিধা দেশের সব মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তোলা ।
কম্পিউটার
'Computer' শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে। কম্পিউট (Compute) শব্দ থেকে Computer কথাটির উৎপত্তি। Computer শব্দের অর্থ গণনাকারী। অর্থাৎ কম্পিউটার শব্দের আভিধানিক অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করে। কম্পিউটার প্রযুক্তির আধুনিকতম সংযোজন। কম্পিউটার হঠাৎ আবিষ্কৃত হয়নি। এর পিছনে রয়েছে বহুকালের বহু মানুষের অবদান। তবে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। আর আধুনিক কম্পিউটারের জনক হলেন জন ডন নিউম্যান। গঠন এবং ক্রিয়ানীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ ১. এনালগ; ২. হাইব্রিড; ৩. ডিজিটাল কম্পিউটার। ডিজিটাল কম্পিউটার আবার চার প্রকার। যথা: সুপার, মেইনফ্রেম, মিনিফ্রেম এবং মাইক্রো কম্পিউটার। বর্তমান সময়ে মাইক্রো কম্পিউটারেরও বিভিন্ন ভার্সন বাজারে এসেছে। যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাবলেট পিসি প্রভৃতি। একটি কম্পিউটারে অনেক যন্ত্রাংশ থাকলেও এর গঠনরীতির প্রধান দুটি ধাপ পরিলক্ষিত হয়। একটি 'সফটওয়্যার' অন্যটি 'হার্ডওয়্যার'। কম্পিউটারের মাধ্যমে দূর অনুধাবন (Remote Sensing) অর্থাৎ উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডল অবলোকন সম্ভব হচ্ছে। আমরা পৃথিবীতে অবস্থান করেই যেমন মহাকাশের খবরাখবর, চিত্র ও অন্যান্য তথ্য পাচ্ছি, তেমনি মহাকাশ থেকেও পৃথিবীকে অবলোকন সম্ভব হচ্ছে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তাছাড়া ডিজিটাল ইন্টারফেস সংবলিত ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ (যেমন; ঘড়ি, মাইক্রোওয়েভ, ভিসিআর, কার প্রভৃতি); সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার (AC), প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট ভিডিও গেম, ব্যাংকিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত ATM (Automated Teller Machine) প্রভৃতিতে এম্বেডেড কম্পিউটার সিস্টেমের ব্যাপক ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলেছে। এছাড়া রোবোটিকস টেকানোলজিতেও কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে। কম্পিউটার আধুনিক সভ্যতার এক অপরিহার্য অঙ্গ।
অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

