- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অনুচ্ছেদ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
শিষ্টাচার
শিষ্টাচার
জীবসভা থেকে মানবসত্তায় উত্তরণে মানুষের জীবনে প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শিষ্টাচার। এই শিষ্টাচারের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে। ওঠে। শিষ্টাচার ও সৌজন্য মানবজীবনের অপরিহার্য গুণাবলির মধ্যে অন্যতম। সাধারণত, শিষ্টাচার হলো এক ধরনের চারিত্রিক গুণ, যা ব্যক্তিকে স্থান-কাল-পাত্রভেদে আচার-ব্যবহারে করে তোলে শিষ্ট, ভদ্র ও মার্জিত। ব্যক্তির এই শিষ্টাচার প্রকাশ পায় তার সামগ্রিক আচরণে, প্রাত্যহিক অতি ক্ষুদ্র কাজ থেকে শুরু করে বৃহত্তর সামাজিক ক্ষেত্রে। শিষ্টাচারী ব্যক্তির ভাষা, আচরণ, চলনভঙ্গি সবকিছুই কোমল ও মাধুর্যপূর্ণ। তার মেজাজ ধীর-স্থির, সে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল। সে রূঢ়, কর্কশ, হঠকারী, লোভী ইত্যাদি কদর্য গুণসমৃদ্ধ ব্যক্তির সাহচর্য এড়িয়ে চলে। শিষ্টাচার মানুষের সহজাত গুণ নয়; জন্ম ও পৈতৃক সূত্রে এই গুণ লাভ করা যায় না। একে অর্জন করতে হয় প্রচুর অধ্যয়ন, বিচিত্র অভিজ্ঞতা, সজাগ অনুভূতি ইত্যাদির মাধ্যমে। সুন্দরের পূজা তথা সৌন্দর্যবোধও ব্যক্তিকে শিষ্টাচারী করে তোলে। এক্ষেত্রে, ছাত্রজীবন হচ্ছে শিষ্টাচারের সাধনার সবচেয়ে মোক্ষম সময়। এ সময় মানুষের হৃদয়বৃত্তিগুলো সচল থাকে নিত্য পাঠ্যাভ্যাসের ফলে। শিষ্টাচারী ব্যক্তি সমাজের প্রত্যেকের কাছ থেকে পেয়ে থাকে প্রচুর সম্মান। সবার সম্মান ও ভালোবাসা পেয়ে, নিজ চিত্তগত প্রাচুর্যের মাহাত্ম্যে শিষ্টাচারী ব্যক্তি জীবনপথে অমৃতের সন্ধান পেয়ে থাকে।
অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

