- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অনুচ্ছেদ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
কর্তব্যনিষ্ঠা
কর্তব্যনিষ্ঠা
কর্তব্যনিষ্ঠা বলতে কাজের প্রতি আগ্রহ এবং নিষ্ঠাকে বোঝায়। জীবনের ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নানাভাবে মানুষকে কর্তব্য পালন করতে হয়। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন, বিবেকবোধে উজ্জীবিত হয়ে আপন কর্তব্য সম্পাদন, অর্পিত দায়িত্বকে আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করা কর্তব্যনিষ্ঠার লক্ষণ। কাজে শতভাগ মনোযোগ এবং প্রজ্ঞার পরিচয় না থাকলে তা কর্তব্যনিষ্ঠা নয়। যুগে যুগে বিশ্বজুড়ে সমাজ ও সভ্যতার যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তার মূলেও আছে কর্তব্যনিষ্ঠ মানুষের কঠোর শ্রম। পরিবারের সদস্য হিসেবে একে অন্যের প্রতি করণীয়, কর্তব্য পালন করা এবং সামাজিক জীব হিসেবে সমাজের কল্যাণমূলক কর্মে রত হওয়াও কর্তব্যবোধের উদাহরণ। একজন ব্যক্তি একটি দেশ বা রাষ্ট্রে বাস করে বলে তার উপর নাগরিক কর্তব্যের বিষয়টিও বর্তায়। নাগরিকের দায়িত্ব পালন প্রকৃতপক্ষে জাতিকে অগ্রগতির পথে ধাবিত করে। যে দেশের নাগরিক যতবেশি কর্তব্যনিষ্ঠ, সে দেশ এবং তার নাগরিকদের জীবনমান তত উন্নত। আর তাই আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে কর্তব্যনিষ্ঠ হওয়া একান্ত প্রয়োজন। পৃথিবীতে যত গুণীজ্ঞানী সাফল্যের স্বর্ণশিখরে আরোহণ করেছেন, তাঁদের সবার মধ্যে ছিল কর্তব্যনিষ্ঠার মতো মহৎ গুণ। বস্তুত সাফল্য হচ্ছে কর্তব্যনিষ্ঠার ফল। কর্তব্যনিষ্ঠার কারণেই সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে। তাই ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে উন্নতির জন্য আমাদের কর্তব্যপরায়ণ হতে হবে। কর্তব্যনিষ্ঠ না হয়ে দিবাস্বপ্ন দেখলে জীবনে সাফল্য ধরা দেয় না। তাই কর্তব্যনিষ্ঠাকে সর্বাগ্রে মূল্য দিতে হবে, কর্তব্যকে গ্রহণ করতে হবে নিষ্ঠার সঙ্গে।
অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

