• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উচ্চ রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলে। শরীর আর মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে। রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন আর প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমনি গায়ে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি সব সময় ১৪০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়। উত্তেজনা, চিন্তা, বিষণ্ণতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং তার জন্য বিশেষ কোনো ওষুধেরও প্রয়োজন হয় না।

শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে হাইপারটেনশন হাওয়ার প্রকৃত কারণ আজও জানা যায়নি। তবে অতিরিক্ত শারীরিক ওজন, মেদবহুল শরীর, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, ডায়াবেটিস, অস্থিরচিত্ত এবং মানসিক চাপগ্রস্ত, রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য-এরকম ব্যক্তিদের মাঝে এ রোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। হাইপারটেনশন রোগীদের যেসব জটিলতা দেখা দিতে পারে তার মধ্যে রয়েছে স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, হৃৎপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া, হার্ট অ্যাটাক এবং ফেইলিউর, কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত প্রভৃতি। নিম্ন রক্তচাপ উচ্চ রক্তচাপের মতো এত মারাত্মক নয়। তবে রক্তচাপ যথেষ্ট কমে গেলে নানা রকম অসুবিধা সৃষ্টি হতে পারে।

রক্তচাপ প্রতিরোধ করার জন্য কিংবা প্রতিকার হিসেবে নিচের সতর্কতামূলক নিয়মগুলো পালন করলে উপকার পাওয়া যায়:

১. ডায়াবেটিস থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

২. দেহের ওজন না বাড়ানো।

৩. চর্বিযুক্ত খাদ্য বর্জন করা। (যেমন-ঘি, মাখন, গরু ও খাসির বা চতুষ্পদ প্রাণীর মাংস, চিংড়ি ইত্যাদি)

৪. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।

৫. পরিমাণের অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।

৬. ধূমপান থেকে বিরত থাকা।

৭. নিয়মিত ব্যায়াম করা।

৮. দৈনিক ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমানো।

৯. মানসিক চাপমুক্ত ও দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা।

১০. খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

কোলেস্টেরল বেশি পরিমাণে থাকে কোথায়?

প্লিহা ও যকৃতে

যকৃত ও মগজে

কিডনি ও পেশিতে

রক্ত ও পেশিতে

কোনটি রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে?

কোলেস্টেরল

অ্যামাইনো এসিড

ফ্যাটি এসিড

গ্লুকোজ

স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগকে কী বলা হয়?

গ্লাইকোলিপিড

গ্লাইকোপ্রোটিন

লাইপোপ্রোটিন

কোলেস্টেরল

করোনারি হৃদরোগের পূর্ব লক্ষণ কোনটি?

ডায়ারিয়া

উচ্চ রক্তচাপ

জন্ডিস

আমাশয়

কোনটি বিপাকজনিত রোগ?

ডায়াবেটিস

ডেঙ্গুজ্বর

ম্যালেরিয়া

জন্ডিস

রক্তে কোনটির আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়?

কোলেস্টেরল

গ্লুকোজ

অ্যামিনো এসিড

গ্লিসারল

রক্ত জমাট বাঁধানো কোনটির কাজ?

লোহিত কণিকা

অণুচক্রিকা

শ্বেত কণিকা

লসিকা কোষ

অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে-

ধমনি ও পালমোনারি ধমনি

শিরা ও পালমোনারি শিরা

ধমনি ও পালমোনারি শিরা

শিরা ও ধমনি

কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডের কোন অংশে প্রথমে প্রবেশ করে?

ডান অ্যাট্রিয়াম

বাম অ্যাট্রিয়াম

ডান ভেন্ট্রিকল

বাম ভেন্ট্রিকল

কোনটির জন্য রক্তের রং লাল দেখায়?

হিমোগ্লোবিন

অণুচক্রিকা

রক্তরস

ক্লোরোপ্লাস্ট

নিচের কোনটি কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে?

ধমনি ও পালমোনারি ধমনি

শিরা ও পালমোনারি শিরা

শিরা ও পালমোনারি ধমনি

শিরা ও ধমনি

মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত?

১২০/৮০ mmHg

১৩০/৯০ mmHg

১৪০/৯০ mmHg

১৫০/১২০ mmHg

কোন রক্তনালি দূষিত রক্ত বহন করে?

ফুসফুসীয় ধমনি

ফুসফুসীয় শিরা

মহাধমনি

কৈশিক জালিকা