- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
হৃদ্যন্ত্রকে ভালো রাখার উপায়
আমরা প্রথম অধ্যায় থেকে জেনেছি, স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য আমাদের প্রয়োজন সুষম খাদ্য এবং শরীরকে সচল রাখার জন্য প্রয়োজন ব্যায়াম ও বিশ্রাম। সুষম খাদ্য গ্রহণ করা যেমন আবশ্যক, তেমনি খাদ্য গ্রহণ এবং জীবনপ্রণালি সম্বন্ধে কতগুলো সুঅভ্যাস গড়ে তোলাও একান্ত আবশ্যক। অনেক কারণেই দেহে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যব্যবস্থা এবং জীবনপ্রণালি অনুসরণ করে হৃদ্যন্ত্রকে ঠিক রাখা যায়। সেগুলো হচ্ছে:
১. দেহের উচ্চতা এবং বয়স অনুসারে কাঙ্ক্ষিত ওজন বজায় রাখা আবশ্যক। দেহের ওজন বেশি হলে হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে।
২. প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন মিশ্রিত খাবার খাওয়া উচিত। যারা প্রাণিজ আমিষ খান না তাদের যাতে প্রোটিনের ঘাটতি না হয় সেজন্য পুষ্টিবিদদের পরামর্শ মেনে চলা ভালো।
৩. শর্করা, মিষ্টি ও স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। উদ্ভিজ তেল গ্রহণ করা উচিত, তবে সামুদ্রিক মাছের তেল রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা হ্রাস করে। মাছভোজীদের হৃদ্রোগের প্রকোপ এ জন্য তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
৪. সুষম খাদ্যে ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা যা আছে তা অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তবে খাওয়ার লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন আছে। রসুন, তেঁতুল, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও অন্যান্য ফল নিয়মিত খেলে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম থাকে।
এগুলো ছাড়া সঠিক ও পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ এবং অতিভোজন হতে বিরত থাকতে হবে। অত্যধিক মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি এড়ানো, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম অথবা হাঁটা এবং সুষ্ঠু জীবনযাপন অর্থাৎ সময়মতো ঘুমানো, ধূমপান থেকে বিরত থাকলে হৃদ্রোগ বা উচ্চরক্ত চাপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
রক্ত (Blood)রক্তরস বা প্লাজমারক্তকোষরক্তের সাধারণ কাজরক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থাঅ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডিRh ফ্যাক্টররক্তের শ্রেণিবিভাগের গুরুত্বরক্ত সঞ্চালন হৃৎপিণ্ড (Heart)হৃৎপিন্ডের কাজহার্ট-বিট বা পালসরেট গণনার পদ্ধতিরক্তচাপউচ্চ রক্তচাপকোলেস্টেরলহৃদ্যন্ত্রকে ভালো রাখার উপায়ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ কত?
প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ কত?
৬০-৯০ mmHg
৯০-১১০ mmHg
১১০-১৪০ mmHg
১২০-১৫০ mmHg
প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কত?
প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক মানুষের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কত?
৬০-৭০ mmHg
৬০-৯০ mmHg
১১০-১৪০ mmHg
১২০-১৫০ mmHg
কোলেস্টেরল বেশি পরিমাণে থাকে কোথায়?
কোলেস্টেরল বেশি পরিমাণে থাকে কোথায়?
প্লিহা ও যকৃতে
যকৃত ও মগজে
কিডনি ও পেশিতে
রক্ত ও পেশিতে
অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে-
অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে-
ধমনি ও পালমোনারি ধমনি
শিরা ও পালমোনারি শিরা
ধমনি ও পালমোনারি শিরা
শিরা ও ধমনি
কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডের কোন অংশে প্রথমে প্রবেশ করে?
কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডের কোন অংশে প্রথমে প্রবেশ করে?
ডান অ্যাট্রিয়াম
বাম অ্যাট্রিয়াম
ডান ভেন্ট্রিকল
বাম ভেন্ট্রিকল
নিচের কোনটি কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে?
নিচের কোনটি কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে?
ধমনি ও পালমোনারি ধমনি
শিরা ও পালমোনারি শিরা
শিরা ও পালমোনারি ধমনি
শিরা ও ধমনি

