• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • আব্বাসি খিলাফত
আব্বাসি খিলাফত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

আব্বাসীয় আমলে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা

আব্বাসীয়রা ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ হতে ১২৫৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শাসনকার্য পরিচালনা করে সাম্রাজ্যের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্যে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটান। ফলে আব্বাসীয় আমলকে মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতার স্বর্ণযুগ বলে অভিহিত করা হয়।

পৃথিবীর বিভিন্ন সভ্যতায়, বিভিন্ন ভাষায়, মানুষের জ্ঞানের যে সকল দিক সংরক্ষিত ছিল আরবগণ সে জ্ঞানকে সংগ্রহ করে বিভিন্ন ভাষা হতে আরবিতে অনুবাদ করে জনসাধারণের সম্মুখে উপস্থাপন করে জ্ঞানের সাগরকে সম্প্রসারিত করেন। অনুবাদক এবং মৌলিক লেখকগণ অক্লান্ত পরিশ্রম করে দর্শনশাস্ত্র, রসায়নশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা, ভূগোল, অঙ্কশান্ত, চিকিৎসা বিজ্ঞান, আইন ও ধর্মতত্ত্বের এবং ভাষাতত্ত্বের বিভিন্ন শাখায় অনুবাদ ও মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানে আব্বাসীয়দের অনুবাদ এবং মৌলিক কার্য সিরিয়া, স্পেন ও সিসিলিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ গবেষণায় যে পন্ডিতগণ অবদান রাখেন তাদের মধ্যে সুহান্না-বিন মাসাওয়াহ এবং হুনায়ন-বিন-ইসহাক বিখ্যাত ছিলেন।

দা-বুত তরজুমাহ্ (Dar-ut Tarjumah): আব্বাসীয় খলিফাগণ রাজ্য বিস্তারের চেয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও গবেষণা করার ক্ষেত্রে আগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। খলিফা আল-মনসুর জ্ঞানের অন্বেষণে দা-রুত তজমাহ্ অর্থাৎ অনুবাদ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। তার পরবর্তী শাসক হারুন-অর-রশিদ ও মামুন এ কেন্দ্রের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে গ্রিক, সিরীয় পারসিক, সংস্কৃতি প্রভৃতি ভাষার লিখিত মূল্যবান গ্রন্থাদি আরবি ভাষায় অনুবাদ করান।

বায়তুল হিকমা (Baitul Hikmah): আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন ৮৩০ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদ নগরীতে জ্ঞানগৃহ "বায়তুল হিকমা" প্রতিষ্ঠা করেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের জন্য বায়তুল হিকমাহকে লাইব্রেরি, অনুবাদ বিভাগ ও গবেষণাগার এ তিনটি বিভাগ দ্বারা সমৃদ্ধি করা হয়।

চিকিৎসাশাস্ত্র (Medical Science): ইসলামে মানুষের শবদেহ ব্যবচ্ছেদ নিষিদ্ধ থাকায় বানরের দেহে পরীক্ষা পরিচালনা করে রোগ নির্ণয় ও ঔষধ প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। চক্ষুরোগ নির্ণয় ইবন মাসওয়াহ এবং তাঁর ছাত্র হুনায়ন-বিন-ইসহাকই পুস্তক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। মুহাম্মদ (স.)-এর হাদিস হতে আরবগণ চিকিৎসাশাস্ত্রে অনুপ্রেরণা লাভ করেন। হাদিসে ধর্মভিত্তিক চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা নামে দুপ্রকার চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হতো। ধর্মভিত্তিক চিকিৎসাকে সাধু পুরুষ বা হাকিম বলা হতো। খলিফা হারুন ও মামুনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক জিব্রিল-বিন-বখতিসু বিখ্যাত ছিলেন। অন্যান্য চিকিৎসক ছিলেন আলী আত তাবারী, আল রাজী, আলী ইবন উল আব্বাস, আল মাজুসি এবং ইবনে সিনা। আল রাজী এবং ইবনে সিনার প্রতিকৃতি আজও পারস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা বিভাগে রক্ষিত আছে। সর্বশ্রেষ্ঠ আরব চক্ষুরোগ চিকিৎসক ছিলেন আলী-বিন-ইসা।

দর্শনশাস্ত্র (Philosophy): মানব মনিষার প্রয়োগে বস্তুজগতের সৃষ্টির প্রকৃত কারণ নির্ণয়ই আরব দর্শনশাস্ত্রের প্রধান বিষয়। প্রকৃতপক্ষে গ্রিক চিন্তাধারা প্রভাব প্রাচ্যের মুসলিম রাজ্যের বিদগ্ধ মানুষের মনে পরিশুদ্ধি লাভ করে এবং আরবি ভাষার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে দর্শন সৃষ্টি করেছে। আরবগণ অ্যারিস্টটলের গ্রিক দর্শন কোরআন ও হাদিসের আলোকে মৌলিক চিন্তা আরোপ করে। কালক্রমে তাঁরা ঐশ্বরিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে মৌলিক চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। আরব দার্শনিকদের মধ্যে আল-কিন্দি, আল-ফারাবি, ইবনে সিনার নাম জগদ্বিখ্যাত।

তাই আল-কিন্দিকে আরব দার্শনিক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি প্রায় দুইশত পঁয়ষট্টিখানা পুস্তক রচনা করেন। তিনি অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোর দর্শনের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে পিথাগোরাসের অঙ্ক শান্তকেই সকল বিজ্ঞানের ভিত্তি বলে মত প্রকাশ করেন।

জ্যোতিষশাস্ত্র ও গণিতশাস্ত্র (Astrology and Mathematics): ভারতের গ্রন্থ 'সিদ্ধান্ত' আরবি ভাষায় অনূদিত হয়ে গণিতশাস্ত্রে পূর্ণাঙ্গ সফলতা লাভ করে। পারস্যের জুন্দিশাহপুর গবেষণা কেন্দ্রে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম আল-ফারাজি, হাজাজ বিন মাতার, সিনদ-বিন-আলী এবং ইয়াহিয়া বিন আবি মনসুর বাগদাদে মান-মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তারা গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি, ক্লান্তি বৃত্তের বক্রতা, বিষুবরেখা, সঠিক সময়কাল নির্ধারণ এবং সৌর বছরের দীর্ঘতা সম্বন্ধে "আল মাজেসটর" মতামতকে নিপুণতার সাথে যাচাই করে দেখেন। মুহাম্মদ-বিন-মুসা আল খাওয়ারিজমী প্রখ্যাত গণিতশাস্তবিদ। তিনি গণিত ও বীজগণিতের সূত্রগুলো লিপিবদ্ধ করেন। গ্রিক অনুকরণে মুসলমানের মধ্যে ইব্রাহীম আল-ফারাজি প্রথম অ্যাসট্রোলের নির্মাণ করেন। ভূমন্ডলের দৈর্ঘ্যের পরিমাপ নির্ণয় আল-মামুনের দরবারের জ্যোতির্বিদদের এক উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব। পৃথিবীকে গোলাকার ধরে এর আয়তন নির্মিত হয়েছিল। পালমিরা এবং ইউফ্রেটিসের নিকটবর্তী সিনজার সমতল ভূমিতে এ পরীক্ষাকার্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উমর খৈয়ামের বীজগণিতে যে বহু সমীকরণের সমাধান এবং শ্রেণিবিভাগ প্রদত্ত হয়েছে তাতে উক্ত শাস্ত্রের এক বিশেষ অগ্রগতি হয়েছে।

রসায়নশাস্ত্র (Chemistry): জ্যোতির্বিদ্যা, অঙ্কশাস্ত্র এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের পরই আরবদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রসায়নশাস্ত্রে। বিজ্ঞান অধ্যয়নের ক্ষেত্রে গ্রিকদের মতো অস্পষ্ট অনুমান নির্ভর না হয়ে নিরীক্ষণ পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়। সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ এবং সত্য উদ্‌ঘাটনের প্রবল ইচ্ছা আরবদের বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে সাহায্য করে। রসায়নশান্তের জনক জাবির বিন-হাইয়ান অষ্টম শতাব্দীর শেষভাগে কুফায় প্রসিদ্ধ লাভ করেন। আল-রাজির পরই তিনি মধ্যযুগের রসায়নশাস্ত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ পন্ডিত ছিলেন। রসায়নশাস্ত্রে প্রধান দুটি সূত্র ভস্মীকরণ এবং লঘুকরণ জাবির বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা করেছিলেন। তিনি বাইশখানা গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে 'কিতাব-উল-রহমা', 'কিতাব-উল তাজমী' বিখ্যাত।

প্রাণিবিদ্যা (Zoology): প্রাণিতত্ত্বে আরবদের দান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রাণীর নাম, বর্ণনা, শ্রেণিভেদ সংবলিত গ্রন্থ 'কিতাবুল হায়ওয়ান' প্রাচীন গ্রন্থ। আল কাজভীনী এবং আল দামিরী প্রাণিবিদ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।

খনিজ বিজ্ঞান (Mineral Science): আরবদের মণি-মাণিক্য প্রীতি খনিজ বিজ্ঞান চর্চায় উৎসাহিত করে। উভারিদ-বিন-মুহাম্মদ; শিহাব-উদ-দীন-আত তিফাশী-প্রসিদ্ধ খনিজবিদ। আল-বেরুনী ১৮টি মূল্যবান পাথর এবং ধাতু সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দান করেন।

ভূগোলশাস্ত্র (Geography): পবিত্র হজ, মসজিদকে মক্কামুখীকরণ এবং কাবার প্রতি দিক নির্ণয় প্রভৃতি দিক-নির্দেশগুলো জানার তাগিদে মুসলমানগণ ভূগোল অধ্যয়নে উৎসাহিত হয়।

জ্যোতির্বিদ্যার গবেষণার জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা নির্ণয়ের প্রয়োজনীয়তা এর সঙ্গে যুক্ত হয়। মুসলিম বণিকগণ বাণিজ্যের প্রয়োজনে পূর্ব দিকে জল ও স্থল পথে চীন, দক্ষিণে তাঞ্জিবার ও আফ্রিকা উপকূল, উত্তরে রাশিয়া এবং পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত পৌছেছিল। দূর দেশের বর্ণনা শুনে সে দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহে মুসলমানগণ ভূগোল চর্চা শুরু করেন।

টলেমীর ভূগোল গ্রন্থ ইয়াকুত ইবনে ইসহাক, আল কিন্দি এবং সাবিত ইবন-কোররাহ আরবিতে অনুবাদ করেন। আল খাওয়ারিজমী ভূগোল বিষয়ে 'সুরাত উল আরদ' নামে গ্রন্থ রচনা করেন। খলিফা মামুনের নির্দেশে আল-খাওয়ারিজমী আরও ৬৯ জন পণ্ডিত. এ গ্রন্থে ভূচিত্র সংযোজিত করেন। এটি ইসলামের ইতিহাসে ও পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম মানচিত্র। আল-মাসুদী দশম শতাব্দীতে এ মানচিত্র তাঁর গবেষণাকার্যে ব্যবহার করেন। পারস্যে ইবনে খুরদাহবিহই ৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক নামে ভূগোল গ্রন্থ রচনা করেন। আল-মাকদিসী স্পেন, সিজিস্তান, ভারত ব্যতীত সমগ্র মুসলিম দেশ ভ্রমণ করে ৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর বিশ বছরের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বিখ্যাত 'আহসন-উত-তকসিম ফি। মারিফাত-উল-আকালিম' গ্রন্থ রচনা করেন। আল-হামাডী আব্বাসীয়দের শেষ যুগে বিখ্যাত দুটি ভূগোল গ্রন্থ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। ইতিহাস চর্চা (Histrography): আরবদের ইতিহাস চর্চা শুরু হয় মূলত আব্বাসীয় আমলে। লৌকিক উপাখ্যান, প্রাক ইসলামি আরবদের কাহিনী হযরত মুহম্মদ (স.)-এর জীবনবৃত্তান্ত আরবি ইতিহাস রচনার মূল উপাদান। আত-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খ্রি.) তারিখ-উর-রসুল ওয়াল মৃলুক নামক ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেন। আল ওয়াকিদী, মিশকাওয়াইহ ইবন আসীর, আবুল ফিদা ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ রচনা করেন।

আইনশাস্ত্র (Jurisprudence): রোমানদের পর আরবগণই আইনশাস্ত্রের চর্চা করেছিল। গ্রিক ও রোমানদের আইন দ্বারা প্রভাবিত হলেও প্রধানত মুসলিম আইনশাস্ত্র কুরআন ও হাদিসের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে এই আইনশাস্ত্রকে ফিকহ বলা হয়। এতে ধর্মীয় এবং সামাজিক সকল প্রকার বিধিনিযেধই স্থান লাভ করে। কুরআন ও হাদিসশাস্তে মৌলিক গবেষণা করে অন্যান্য সমস্যা সমাধানে ইজমা, কিয়াস ও ইজতিহাদের প্রচলন হয়। যা ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়।

আরবি সাহিত্য (Arabic Literature): আব্বাসীয় যুগের প্রথম দিকে আব্বাসীয়দের অভিজাত গৌরবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও রাজা-বাদশাহদের চরিত্র নিয়ে কবিতা ও সাহিত্য রচনা হতো। আমরা যা আরবি সাহিত্য বলি তা মূলত আরব ছাড়া বহু জাতির লোকের সৃষ্টি। ভাষাতত্ত্ব, অভিধান প্রণয়ন, ব্যাকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আরবগণ মৌলিক চিন্তা বা গবেষণা রেখে গেছেন। আরবি ভাষায় প্রথম অভিধান রচয়িতা আজ জাওহারী। এ সময় আরবি সাহিত্যের ক্ষেত্রে 'মাকামাহ' নামক নতুন ধারা সৃষ্টি হয়। বদি-উজ জামান-আল হামদানীকে এ 'মাকামাহ'-এর স্রষ্টা বলা হয়। আরবি সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা আবুল ফারাজ 'আল ইস্পাহানী কিতাবুল আখানী' রচনা করে আরবি সাহিত্যে সমৃদ্ধি আনয়ন করেন। আব্বাসীয় আমলে জ্ঞান-বিজ্ঞান, ইতিহাস ও সাহিত্য রচনায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়।

আব্বাসি খিলাফত - অন্যান্য প্রশ্ন

আব্বাসীয় আন্দোলনআবুল আব্বাস আস-সাফফাহ (৭৫০-৭৫৪ খ্রি.) খলিফা আবু জাফর আল মনসুর (৭৫৪-৭৭৫ খ্রি.)খলিফা হারুন-অর-রশিদ (৭৮৬-৮০৯ খ্রি.)বার্মাকি বংশখলিফা আল-আমিন (৮০৯-৮১৩ খ্রি.)খলিফা আল-মামুন (৮১৩-৮৩৩ খ্রি.)আব্বাসীয় খিলাফতের শেষার্ধ খলিফা আল-মুতাসিম (৮৩৩-৮৪২ খ্রি.)বুয়াইয়া বংশ (৯৪৪-১০৫৫ খ্রি.)সেলজুক বংশ (১০৫৫-১১৯৪ খ্রি.)মালিক শাহ সেলজুক (১০৭৩-১০৯২ খ্রি.)ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ (১০৯৫-১২৫৮ খ্রি.)গাজী সালাউদ্দিন আইয়ুবিবাগদাদ ধ্বংস (১২৫৮ খ্রি.)আব্বাসীয় খিলাফতের ক্রমাবনতি ও পতনআব্বাসীয় আমলের আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যআব্বাসীয় আমলে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চাআব্বাসিদের রাজধানী কোথায় ছিল?বার্মাকি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?খায়জুরান কে ছিলেন?বাগদাদ নগরীর প্রতিষ্ঠাতা কে?ক্রুসেড (Crusade) শব্দের অর্থ কী?বুরান কে ছিলেন?আব্বাসি বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?'আল-মনসুর' শব্দের অর্থ কী?বায়তুল হিকমা কে প্রতিষ্ঠা করেন?কোন যুদ্ধের মাধ্যমে আব্বাসি রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়?আব্বাসিরা কার বংশধর?কোন সালে জাবের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?আবুল আব্বাস কী উপাধি গ্রহণ করেন?'আস-সাফফাহ' শব্দের অর্থ কী?আব্বাসি বংশের প্রথম শাসক কে ছিলেন?সেনাপতি আবু মুসলিমকে কে হত্যা করেন?বায়তুল হিকমাহ (জ্ঞানগৃহ) কত খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়?'Arabian Joan of Ark' নামে পরিচিতি লাভ করেন কে?ক্রুসেড কী?ক্রুসেড (Crusade) শব্দটি কোন শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে?আব্বাসি কারা? পরিচয় দাও।নহর-ই জুবাইদা কী? বুঝিয়ে লেখ।বায়তুল হিকমা বলতে কী বোঝায়?আবু মুসলিম খোরাসানি সম্পর্কে যা জান লেখ।কাকে এবং কেন আস-সাফফাহ বলা হয়?খলিফা মনসুর কর্তৃক আলী বংশীয়দের প্রতি দুর্ব্যবহারের কারণ ব্যাখ্যা কর।আব্বাসি আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?আবু জাফর আল মনসুরকে আব্বাসি বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় কেন?খলিফা আল মামুনের রাজত্বকালকে ইসলামের অগাস্টাস যুগ বলা হয় কেন?ক্রুসেড বলতে কী বোঝায়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ